অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কেনার সময় যেই ১০টি ব্যপারে লক্ষ্য রাখবেন | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
ছায়ানীল

মোট এলার্ম : 39 টি


আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক :

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কেনার সময় যেই ১০টি ব্যপারে লক্ষ্য রাখবেন
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

এই যুগের মোবাইল বাজারে স্মার্টফোন এর জয়জয়কার , তার ভিতরে আপনি আইওএস/আ্যন্ড্র্য়েড/উইন্ডোজ ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম সংবলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ড এর হ্যান্ডসেট বাজারে পাবেন , স্মার্টফোনে আপনি পিসি এর প্রায় সব কাজ ই করতে পারবেন অনায়াসে।
মুভি দেখা , হাই ডেফিনেশন গেইমস খেলা , ভিডিও ও ইমেজ এডিটিং , ক্যামেরা , মাইক্রোসফট অফিস – কি নেই এইগুলোতে!

এখন আমার এই পোস্ট শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা ‘অ্যান্ড্রয়েড’ অপারেটিং সিস্টেম সংবলিত হ্যান্ডসেট কিনতে আগ্রহী।প্রথমেই আপনি ডিটারমাইন্ড হবেন যে আপনি কি ‘অ্যান্ড্রয়েড’ অপারেটিং সিস্টেম এর সেট কিনতে চান? আপনার বাজেট কেমন? [ ৪০০০+ – ৭০০০০+ টাকার হ্যান্ডসেট আছে বাজারে ] , কি কি ফিচার আপনার দরকার মেইনলি , আপনি কি ধরনের পেশার সঙ্গে যুক্ত ইত্যাদি।

প্রথমেই বলি , ‘অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম’ সর্বপ্রথম তাদের ভার্শন 1.0 রিলিজ করে 23.9.2008 সালে HTC Dream হ্যান্ডসেট এ , বর্তমানে লেটেস্ট অফিশিয়াল ভার্সন হলো 4.4.2 “কিটক্যাট” যা রিলিজ হয় 9.12.2013 তে।
বিস্তারিত —> http://en.wikipedia.org/wiki/Android_version_history

ব্র্যান্ড? না ব্র্যান্ড নিয়ে মাথা বেশি না ঘামালেও হবে , ফিচার/বিল্ড কুয়ালিটি/টেকনোলজি ইত্যাদি ব্যাপার ব্র্যান্ড এর চেয়েও অনেক দরকারি. . এই বিষয় গুলো নিয়েই লিখবো এখন।

1. Network : থ্রিজি সাপোর্ট করে এমন হ্যান্ডসেট কিনবেন অবশ্যই , কারণ আর ১-২ বছর পর টু-জি এর ব্যবহার থাকবে না তেমন।

2. Body: হ্যান্ডসেট টির ওজন ক্যামন হবে তা কিন্তু আপনার রুচির ওপর নির্ভর করে , ১৫০গ্রাম এর বেশি না হওয়াই ভাল আর ১০০% প্লাস্টিক বডি হলে কিন্ত পরে গেলে রিস্ক থাকেই, আবার অনেক ব্র্যন্ড ই প্লাস্টিক এর বডি করে সেট এর ওজন/টেম্পেরেচার কম রাখবার জন্য , ক্যামেরা এর লেন্স এবং স্ক্রিন যেন সেট হাত থেকে পরলেও ভাল থাকে তা নিশ্চিত করবেন , লাগলে কেইস ও কিনবেন।

3. Display: এইটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার কোন প্রযুক্তির ডিসপ্লে আপনি চান তা নিশ্চি্ত করা , বাজারে রেটিনা/টিএফটি/অ্যামোলেড/এলসিডি ১/২/৩ ইত্যাদি কুয়ালিটি এর ডিসপ্লে পাওয়া যায় এগুলোর পিকচার কুয়ালিটি/ব্রাইটনেস/সানলাইট ভিজিবিলিটি/ভিউইং অ্যাঙ্গেল/ক্লিয়ারনেস/শার্পনেস ইত্যাদি ব্যাপার খুবি গুরুত্বপূর্ণ।
বিস্তারিত —> http://www.androidpit.com/super-amoled-vs-retina-display

Size – ডিসপ্লে এর ভিতর পড়ে স্ক্রীন সাইজ এর ব্যাপারটি , আপনি যদি বড় স্ক্রিন পছন্দ করেন তাহলে ৫”+ , আর ছোট পছন্দ করলে ৩.৫”/৪” কিনবেন এই হল ব্যাপার , বেশি ছোট স্ক্রিনের অ্যান্ড্রয়েড ফোন না কেনাই ভালো।

PPI – সাধারণত ডিসপ্লে রেজ্যুলিশন ও ডিভাইস এর স্ক্রিনসাইজ এর রেশিও টাই হলো PPI (Pixel Per Inch) , একটা ডিভাইস এর PPI যদি বেশ কম হয় , তাহলে তার থেকে তেমন ভাল কুয়ালিটি এর গ্রাফিক পাবার আসা না করাই উচিত , তবে PPI যত বেশি , সেট এর দাম ও তত বেশি। বড় স্ক্রিনের ফোন কিনলে খেয়াল রাখবেন যেন তার রেজ্যুলিশন ও বেশি থাকে (মিনিমাম ৭২০পি)
বিস্তারিত —> http://en.wikipedia.org/wiki/Pixel_density

Touch – Capacitive আর Resistive দুই ধরনের টাচ টেকনোলজি বাজারে আছে , ভুলেও Resistive টেকনোলজি এর টাচ কিনবেন না।এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে গুগোল করুন “Resistive vs Capacitive”।

Protection – ভালো প্রোটেকশন থাকলে স্ক্রীন এ স্ক্র্যাচ পরার কোন সুযোগ ই নাই! ধুমসে গেইম খেলা/ছবি আঁকাআঁকি করতে পারবেন যদি টাচ প্রটেকশন থাকে , না থাকলে কি করবেন? বাজার থেকে একটা প্রটেক্টর পলিথিন/ম্যাট কিনে নিবেন ১০০-১০০০+ টাকা দিয়ে। আজকাল বেশিরভাগ ভাল ফোনেই গরিলা গ্লাস টেকনোলজি এর প্রটেকশন দেয়া থাকে যার ভার্সন ১/২/৩ বাজারে রয়েছে , এর ফলে আপনার ফোনের স্ক্রিন হাত থেকে পড়ে গেলেও ভেঙ্গে যাওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। (1014)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ অ্যান্ড্রয়েড

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon