মুখ থুবড়ে পড়েছে দোয়েল প্রকল্প | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
নিনিতা নুহাশ

মোট এলার্ম : 49 টি


আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক :

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



মুখ থুবড়ে পড়েছে দোয়েল প্রকল্প
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

dowel দুই বছর না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে ‘দোয়েল’-এর অগ্রযাত্রা। ব্যাপক প্রচারণার মধ্য দিয়ে ২০১১ সালে দোয়েল ব্র্যান্ডের এ ল্যাপটপের যাত্রা হলেও এখন উৎপাদনই বন্ধ। ফলে প্রশ্ন উঠেছে সাশ্রয়ী মূল্যে সবার হাতে ল্যাপটপ তুলে দেয়ার এ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মকর্তাদের অদক্ষতার কারণে প্রকল্পটিতে সাফল্য আসছে না। সংকট রয়েছে যন্ত্রাংশের। প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে; দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যা অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া গ্রাহক অসন্তুষ্টি তো রয়েছেই।

সাশ্রয়ী মূল্যে ল্যাপটপ তৈরির উদ্দেশে বিগত মহাজোট সরকারের সময় প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। দোয়েল ব্র্যান্ডের এ ল্যাপটপ তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয় রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে (টেশিস)। টেশিসের গাজীপুর কারখানায় ২০১১ সালের ১০ জুলাই দোয়েল ল্যাপটপের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। চার ধরনের ল্যাপটপের দাম ধরা হয় ১০ থেকে ২৬ হাজার টাকা। প্রাথমিক পর্যায়ে স্বল্পমূল্যের এসব ল্যাপটপ সরকারি সংস্থাগুলোয় সরবরাহ করা হয়। পরে সাধারণ জনগণের জন্য বাজারজাত করা হয়। তবে শুরুতেই এর নানা দুর্বলতা ধরা পড়ে। অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি এর ব্যাটারি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে দোয়েল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে থাকে গ্রাহক। এর মধ্যেই দেখা দেয় যন্ত্রাংশের ঘাটতি। ফলে চালুর ছয় মাসের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় টেশিস।
যোগাযোগ করা হলে টেশিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হুসনুল মাহমুদ খান বলেন, ‘উৎপাদন একেবারে বন্ধ, এ কথা ঠিক নয়। সীমিত আকারে এখনো ল্যাপটপ তৈরি হচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা মুনাফার চিন্তা করি না। আমরা চাই, ব্যবহারকারীরা আমাদের ল্যাপটপ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুক। তবে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকা ও প্রচারণার অভাবে বেসরকারি পর্যায়ে দোয়েলের চাহিদা সেভাবে তৈরি করা যায়নি।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৪২ হাজার ১৯৫টি ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ আমদানি করেছে টেশিস। এর মধ্যে সংযোজন করা হয়েছে ৩৭ হাজার ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ। আর বিক্রি হয়েছে মাত্র ২৮ হাজার ৬০০টি। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ই নিয়েছে সাড়ে ১৬ হাজার ল্যাপটপ। সেনাবাহিনীও বেশকিছু ল্যাপটপ নিয়েছে। তবে আট হাজার ল্যাপটপ বিক্রি করতে পারেনি টেশিস।
স্ট্যান্ডার্ড মডেলের পাঁচ হাজার ল্যাপটপ সংযোজন করলেও বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬৮৪টি। আবার অ্যাডভান্স-১৬১২ই মডেলের দুই হাজার ল্যাপটপ সংযোজন করা হলেও বিক্রি হয়েছে মাত্র ১৮৩টি।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার এ প্রসঙ্গে বলেন, দোয়েল ল্যাপটপ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন কোনোটিই সঠিকভাবে হয়নি। কর্মকর্তাদের অদক্ষতা ও লুটপাটের কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে।

গুণগত মান ভালো না হওয়ায় ও বিক্রয়োত্তর সেবা নিতে নানা ভোগান্তির কারণে সাধারণ গ্রাহক এ ল্যাপটপের প্রতি খুব বেশি আগ্রহী নয়। অমি আজাদ নামে এক ব্যবহারকারী বলেন, ‘এর ব্যাটারি খুবই নিম্ন মানের। তাই দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায়। সমস্যা হলে যেতে হয় টেশিসের সার্ভিস সেন্টার টঙ্গীতে। এসব ঝামেলার কারণে দোয়েল ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছি।’

তবে সমস্যাগুলো নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে দাবি করে টেশিস বলছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শে প্রাইমারি মডেলের উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। দলটি বর্তমানে এ মডেলের ল্যাপটপের সমস্যা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। নতুন মডেলে পূর্ণাঙ্গ ল্যাপটপের সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করার প্রক্রিয়া চলছে। -বি.বার্তা

সূএ-bd24live (500)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ আইটি নিউজ

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon