উইন্ডোজ ফোনের খুঁটিনাটি জেনে নিন | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
শাওন রহমান

মোট এলার্ম : 112 টি

শাওন রহমান

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক : http://facebook.com/shawon.rahman121

» আমার টুইটার পাতা : https://twitter.com/shawon_786


স্পন্সরড এলার্ম



উইন্ডোজ ফোনের খুঁটিনাটি জেনে নিন
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

আইফোন নাকি অ্যানড্রয়েড? প্রযুক্তি বাজারে স্মার্টফোন কিনতে গেলেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায় অনেকেই। আসলে ঘটনা হলো প্রযুক্তি বাজারে আইফোন ও অ্যানড্রয়েড আধিপত্য বিস্তার করছে। আইওএস ও অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এতটাই জনপ্রিয় যে বিখ্যাত সেই সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছে নকিয়া। অন্যদিকে ব্ল্যাকবেরি অপারেটিং সিস্টেমেরও তেমন একটা ব্যবহার নেই। সবাই ছুটছে নতুন কিছু পাওয়ার উদ্দেশ্যে।

আইওএস ও অ্যানড্রয়েড বিশ্বকে নুতন নতুন প্রযুক্তি, অভিনব সব অ্যাপ্লিকেশন দিয়েই যাচ্ছে।

Windows Phone

এমন সময় গত কয়েক বছর ধরে আবির্ভাব হয়েছে উইন্ডোজ এইট অপারেটিং সিস্টেম। মাইক্রোসফট কম্পিউটারের পর এখন উঠেপড়ে লেগেছে স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে। নকিয়া লুমিয়া সিরিজ দিয়েই মূলত সাফল্য পায় উইন্ডোজ এইট অপারেটিং সিস্টেম। তবে স্যামসাং ও এইচটিসি উইন্ডোজ এইট অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে কিন্তু আশানুরুপ সাফল্য পায়নি। লুমিয়া সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর ডিজাইন, টাচ সেনসিটিভিটি, অ্যাপ্লিকেশন সব মিলিয়ে উন্নতমানের উইন্ডোজ এইট অপারেটিং সিস্টেমের অভিজ্ঞতা পেয়েছে প্রযুক্তি দুনিয়া।
আইওএস ও অ্যানড্রয়েড ব্যবহার তো করছে সবাই। আসুন না জেনে নিই উইন্ডোজ এইট অপারেটিং সিস্টেমের কিছু উল্লখযোগ্য ফিচার সঙ্গে কিছু দুর্বলতাও।

লাইভ টাইলস ও কাস্টমাইজেশন

আইফোনের আইওএসে আইকন ম্যনু ও ফোল্ডার, অ্যানড্রয়েডের উইজেট থাকলেও উইন্ডোজের লাইভ টাইলস ও মনোমুগ্ধকর কাস্টমাইজেশন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বাড়তি আকর্ষণ কুড়াতে সক্ষম হয়েছে। হোম স্ক্রিনে অ্যানিমেটেড টাইলস আকারের ওভারভিউ দেখতে অসাধারন ও ব্যবহার করতেও সহজ। কন্টাক্টের ছবি, ইমেইল, ম্যাসেজ, মিউজিক প্লেয়ার, অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ই-বুকস এবং ওয়েবসাইটের অ্যানিমেটেড টাইলস আইকন স্মার্টফোনের সৌন্দর্য অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

অ্যাকশন সেন্টার

আওএস ও অ্যানড্রয়েডের মতো স্ক্রিনের উপর থেকে ড্রপ-ডাউন বার যা অ্যাকশন সেন্টার নামে নতুন যুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। ওয়াইফাই অন-অফ করা, মোবাইল ডাটা অন-অফ করা, ব্রাইটনেস বাড়ানো-কমানো, ব্লুটুথ, মাল্টি-উইন্ডো সহ অনেক শর্টকার্ট মেনু অ্যাকশন সেন্টারে যুক্ত করা হয়েছে। যদিও উইন্ডোজ ৮.১-এ অ্যাকশন সেন্টার ফিচারটি দেয়া হয়েছে।

কর্টানা

অ্যানড্রয়েডের গুগল নাও এবং আইফোনের সিরি ফিচারের কথা মোটামুটি সবাই জানে। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ফোনের জন্য তৈরি করেছে কর্টানা। গুগল নাও এবং সিরি থেকে কর্টানা অনেক বেশি কিছুই করতে পারবে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। অ্যাপয়েন্টমেন্টস, ফ্লাইটের সময়, কোন জায়গার অবস্থান নির্ণয়সহ অনেক কাজ অনায়াসেই করে দিতে পারে কর্টানা। অনলাইনে মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন বিং কর্টানা পরিচালনা করবে।

আউটলুক, অফিস এ্যান্ড ইউনিভার্সাল অ্যাপস

মাইক্রোসফটের আউটলুক ইমেইল, অফিস ডকুমেন্ট সহ এক্সবক্সও কানেক্টেড করা যাবে উইন্ডোজ ফোনের মাধ্যমে। এসব অ্যাপ্লিকেশন সহজেই ব্যবহার করা যাবে এতে।

অভিনব লুক

উইন্ডোজ ফোনের অ্যাপ্লিকেশনগুলো দেখতে অন্য সব ওএসের স্মার্টফোনের চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এক পলকেই স্পটিফাই থেকে ফেসবুক পর্যন্ত অ্যাপ্লিকেশনের চেহারা থেকে উইন্ডোজের মাধুর্য প্রকাশ পায়।

ওয়ানড্রাইভ

প্রাক্তণ নাম স্কাইড্রাইভ। গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স ও অ্যাপলের আইক্লাউডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতা করছে মাইক্রোসফটের ওয়ানড্রাইভ। ফাইল ব্যাকআপ, ছবি পরিচালনা, ডকুমেন্ট সম্পাদনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ উইন্ডোজ ফোনে সহজেই করা যায়। উইন্ডোজ ৮.১-এ আরো উন্নত পরিসরে থাকছে ওয়ানড্রাইভ।

ক্যামেরা

এখন পর্যন্ত আইফোন, স্যামসাং, এইচটিসি, এলজি কিংবা গুগল নেক্সাসের চেয়ে উন্নতমানের ক্যামেরা উইন্ডোজ ফোনের। নকিয়া লুমিয়া সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর ক্যামেরা এখন পর্যন্ত প্রযুক্তি বাজারে সেরা। কম আলোতে নকিয়া সিরিজের ফোনগুলো অসাধারন ছবি তুলতে সক্ষম। নকিয়া প্রো ক্যাম অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে ছবি তুললে ছবিগুলোতে আরো নান্দনিকতার ছোঁয়া পাওয়া যায়।

স্মার্টফোন বদল

আইফোন কিংবা অ্যানড্রয়েড ফোন থেকে উইন্ডোজ ফোন ব্যবহার শুরু করলে সামান্য ঝামেলা পোহাতে হয়। আইফোন কিংবা অ্যানড্রয়েড ফোন থেকে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় ছবি, তথ্য, ভিডিও, মোবাইলে সংরক্ষিত কন্টাক্টস সহজেই উইন্ডোজ ফোনে আনা যাবে না। এ ঝামেলা অবশ্য আইফোন ও অ্যানড্রয়েডেও আছে। গুগল, অ্যাপল এমনকি মাইক্রোসফটও এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

অ্যাপ্লিকেশনের পারফরম্যান্স

আইফোন কিংবা অ্যানড্রয়েডের মতো এখনও উচ্চ মানের পারফরম্যান্স দিতে পারছে না উইন্ডোজের অ্যাপ্লিকেশনগুলো। দেখতে আকর্ষণীয় হলেও কাজে তেমন একটা গতি দিতে পারছে না মাইক্রোসফট। টুইটার, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, স্পটিফাই, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার কিংবা উইচ্যাট অ্যাপ্লিকেশনগুলোর ব্যবহার বর্তমানে ব্যাপক। এসব অ্যাপ্লিকেশনগুলোর উন্নত সংস্করণ নিয়ে যদিও কাজ করে যাচ্ছে মাইক্রোসফট।

Windows Phone

যে যাই বলুক না কেন, একটা সময় পর আইফোন কিংবা অ্যানড্রয়েড ফোনের উপর মানুষের আকর্ষণ কমে যাবে। তখন হয়তো আরো অনেত ওএস দেখতে পাবে বিশ্ববাসী। তবে উইন্ডোজের চাহিদা তখন থাকবে ব্যাপক। একটা সময় ছিল যখন সারা বিশ্ব অ্যাপলের ম্যাকিন্টোস কম্পিউটারই বেশি ব্যবহার করত। বর্তমান চিত্র কিন্তু ভিন্ন। সারা বিশ্বে এখন মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ চালিত কম্পিউটারের ব্যবহার বেশি। সহজলভ্যতা, কম দাম আর গ্রাহক সেবা নিশ্চিৎ করেই কিন্তু মাইক্রোসফটের এতদূর আসা। স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে এমনটা যে ঘটবে না কেউ জোর গলায় তা বলতে পারবে না। (656)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ আইটি নিউজ

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon