ফরেক্স ট্রেডিং এর চৌদ্দকথা | রিভিউ | আর্নিং | টিউটোরিয়াল | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
Muntasir Mahdi

মোট এলার্ম : 2 টি

"The secret of getting ahead is getting started. Mark Twain"!

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট : http://rahmanishere.wordpress.com/

» আমার ফেসবুক : http://www.fb.com/muntasir1315

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



ফরেক্স ট্রেডিং এর চৌদ্দকথা #রিভিউ #আর্নিং #টিউটোরিয়াল
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

আমি মুনতাসির মাহদী! 😉

আজকে থেকে আপনাদের জন্যে শুরু করছি আমার তৈরী করা হ্যাশ ট্যাগের সাথে টিউটোরিয়াল, রিভিউ আর আর্নিং মেথডের নিবন্ধ 😀

চলুন আজকে শুরু করি  ফরেক্স ট্রেডিং দিয়ে 🙂

 

#Review #Briefing #About #Stats #Comparison #Earning

 

ফরেক্স কি?
ফরেক্স হলো ফরেন এক্সচেঞ্জ! এটি পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ মার্কেটগুলোর মধ্যে একটি। এখানে প্রতিদিন ৪ ট্রিলিয়ন (১০০০ বিলিয়নে এক ট্রিলিয়ন) ডলারের অধিক লেনদেন হয়! পৃথিবীর সবগুলি শেয়ার মার্কেট মিলেও প্রতিদিন এ লেনদেন হয় না। নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের একদিনের গড় লেনদেন ৩০ বিলিয়ন ডলার। যেহেতু মার্কেটটি এত বড় তাই কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এমনকি রাষ্ট্র ও এটি এককভাবে সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।

ফরেক্স ট্রেডিং করতে কি কি দরকার?
ইন্টারনেট কানেকশন সহ একটি কম্পিউটার/এন্ডয়েড এবং প্রাথমিক পর্যায়ে অল্প কিছু পুঁজি (সর্বনিম্ন ৫ ডলার হলে ভালো হয়)। ৫ ডলার দিয়ে শুরু করলেও লেভারেজের কারণে কেনাবেচা করা যাবে অনেক বেশী পরিমানের। বেশীরভাগ বড়োকারই ১ঃ২০০ লেভারেজ দেয় অর্থাৎ ৫ ডলার বিনিয়োগে ১ থেকে ২০০ ডোলার পর্যন্ত কেনাবেচা করা যাবে।

ফরেক্স ট্রেডিং এ রিস্ক কেমন? 
রিস্ক সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করছে। আপনি চাইলে ১০ মিনিটেই আপনার একাউন্ট শূন্য হয়ে যেতে পারে আবার আপনি না চাইলে আপনার একাউন্ট কোনোদিন ও শূন্য হবে না। অর্থাৎ আপনার একাউন্ট শূন্য করার ক্ষমতা শুধু আপনার কাছে। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কোনো ট্রেডারের থেকে সহযোগিতা নিন। আপনি গুগল থেকে ট্রেডিং করলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। আর তাই ট্রেডিং এ আসতে চাইলে অভিজ্ঞ ট্রেডারের সহযোগিতা নিন।

নিশ্চিত লাভের উপায় আছে কোনো? বাঙালী আমরা বুঝেন না? 😀 
অবশ্যই আছে। দুনিয়াতে অনেক মানুষ আছে যাদের মূল পেশাটাই হচ্ছে ফরেক্স ট্রেডিং আর যদি এটা থেকে নিশ্চিত লাভ না হতো তাহলে তো কেউ এটাকে মূল পেশা হিসেবে নিতো না তাই না? তাহলে উপায় টা কি? একটু পড়তে হবে এখন!
ফরেক্স মার্কেটে আপনি হয় কিনবেন নয় বিক্রি করবেন। একটি ট্রেড খোলা খুবই সোজা। আর আপনার যদি স্টক মার্কেটের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি আরো আগে বুঝবেন।
মনে করুন, আপনি ১.১৮০০ এক্সচেঞ্জ রেটে Euro/USD তে ১০০০০ ইউরো কিনলেন ১১৮০০ ডোলার দিয়ে। দুই সপ্তাহ পর Euro/USD এক্সচেঞ্জ বেড়ে ১.২৫০০ হলো। তখন আপনি ১২৫০০ ডলারে তা বিক্রি করলেন। আপনার লাভ হবে ৭০০ ডলার।
এখানে এক্সচেঞ্জ রেট হলো একটি কারেন্সি সাপেক্ষে আরেকটি কারেন্সী এর দামের অনুপাত। যেমনঃ USD/CHF এর এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে, কত ইউএসডলার এর বিনিময়ে ১ সুইস ফ্রাঙ্ক কেনা যাবে অর্থাৎ ১ ইউএস ডলার কিনতে কত সুইস ফ্রাঙ্ক প্রয়োজন!

কীভাবে ফরেক্স কোটেশন পড়তে হয়? 
প্রতিটি ট্রেডে আপনি একইসাথে একটি কারেন্সি কিনেন ও আরেকটি কারেন্সী বিক্রি করেন। তাই ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সী জোড়া অর্থাৎ কারেন্সী পেয়ার এর দাম কোটেশন এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
স্ল্যাশ (/) এর আগের কারেন্সী হচ্ছে বেজ (Base) কারেন্সী এবং পরের কারেন্সী হচ্ছে কোট (Quote) কারেন্সী। যেমনঃ EUR/USD এখানে ইউরো হচ্ছে বেজ কারেন্সি এবং ইউএসডলার হচ্ছে কোট কারেন্সী।
কেনার সময় এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেজ কারেন্সী কেনার জন্যে কত ইউনিট কোট কারেন্সী দিতে হবে। উদাহরণস্বরুপঃ ১ ইউরো কেনার জন্যে ১.২৪৬০ ইউএস ডলার দেয়া লাগে।
বিক্রি করার সময় এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেজ কারেন্সি বিক্রি করলে কত ইউনিট কোট কারেন্সী পাওয়া যাবে। উদাহরনঃ ১ ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রি করলে আপনি ১.২৪৬০ ইউএস ডলার পাবেন।
বেজ কারেন্সি হচ্ছে কারেন্সি কেনাবেচার মূল ভিত্তি। যদি আপনি ইউরো/ইউএসডলার কিনেন, তবে আপনি একই সাথে বেজ কারেন্সী ইউরো কিনছেন এবং কোট কারেন্সী ইউএস ডলার বিক্রি করছেন।
আপনাকে কেনার সময় বেজ কারেন্সী শক্তিশালী দেখে কিনবেন আর বিক্রি করার সময় কোট কারেন্সী শক্তিশালী দেখে বিক্রি করবেন।

লং/শর্ট সিস্টেম কি? 
প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কারেন্সী পেয়ার কিনবেন না বিক্রি করবেন!
আপনি যদি কিনতে চান তার মানে আপনি চাচ্ছেন যে বেজ কারেন্সী এর দাম বেড়ে যাক এবং আপনি সেটা বিক্রি করবেন আরো দামে। ট্রেডারদের ভাষায় একে বলে লং পজিশন নেয়া অর্থাৎ লং = ক্রয় করা।
আপনি যদি বিক্রি করতে চান তার মানে আপনি চাচ্ছেন বেজ কারেন্সী এর দাম কমে যাক এবং আপনি সেটা আরো কম দামে কিনবেন। ট্রেডারদের ভাষায় একে বলে শর্ট পজিশন নেয়া অর্থাৎ শর্ট = বিক্রি করা!

বিড/আস্ক কি?
সব ফরেক্স কোটেশনে দুটি প্রাইস দেখতে হয়। বিড এবং আস্ক। প্রায় সব ক্ষেত্রেই বিড প্রাইস, আস্ক প্রাইস থেকে কম হয়।
বিড হলো এমন একটি প্রাইস যে দামে ব্রোকার কোট কারেন্সীর পরিবর্তে বেজ কারেন্সী কিনতে চায়। সেল করার জন্যে বিড হলো সবচেয়ে ভালো প্রাইস।
আস্ক হলো এমন একটি প্রাইস যে দামে ব্রোকার কোট কারেন্সীর পরিবর্তে বেজ কারেন্সী বিক্রি করতে চায়। অর্থাৎ কেনার জন্যে আস্ক হলো সবচেয়ে ভালো প্রাইস।
বিড এবং আস্ক এর পার্থক্যই স্প্রেড নামে পরিচিত। ইউরো/ইউএসডি এর উপরের কোটেশনে বিড প্রাইস হলো১.৩৪৫৬ এবং আস্ক প্রাইস হলো ১.৩৪৫৮ অর্থাৎ এখানে স্প্রেড হলো ২ পিপস!
আপনি যদি বিক্রিতে ক্লিক করেন তবে আপনি ১.৩৪৫৬ এ সেল করবেন আর যদি ক্রয় এ ক্লিক করেন তবে আপনি ১.৩৪৫৮ এ ক্রয় করবেন।

এই হলো ফরেক্স ট্রেডিং এর মূল কথাগুলো।  <3 

 

লেখাটি প্রথম এখানে প্রকাশিত হয়েছে! 🙂

 

 

আজকে এখানেই শেষ করছি 🙂

আগামী পর্বে আবার কথা হবে নতুন কিছু নিয়ে 🙂

ভালো থাকবেন 🙂  ভালো রাখবেন 🙂 (362)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ আউটসোর্সিং

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon