আপনি কি বাইক,মোটরসাইকেল, বা গাড়ি চুরি হওয়ার চিন্তায় ভুগছেন? প্রযুক্তি ব্যাবহার করে চোরকেই হাতেনাতে ধরুন ! | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
মারিয়া মাহি

মোট এলার্ম : 56 টি


আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক :

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



আপনি কি বাইক,মোটরসাইকেল, বা গাড়ি চুরি হওয়ার চিন্তায় ভুগছেন? প্রযুক্তি ব্যাবহার করে চোরকেই হাতেনাতে ধরুন !
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

আজকে আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি আপনার যানবাহনকে চোরের হাত থেকে বাচাতে পারেন এবং কোন পদ্ধতিতে সেই চোরকে ধরতে পারেন।

তো, শুরু করা যাক ………………….

 

আমাদের এই দেশে কারো বাইক বা মোটরসাইকেল চুরি হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটু বেখেয়াল হলেই কয়েক লাখ টাকা দামের গাড়িটি নিয়ে চম্পট দিতে পারে চোর ।আমরা যেমন আধুনিক হয়েছি ঠিক তেমনি চুরেরাও কিন্তু আধুনিক হয়েছে ।এটা আপনাকে মানতেই হবে। আপনি আপনার বাইক বা মোটরসাইকেল এর কিছু লক সিস্টেম ব্যাবহার করেও কিন্তু পরিত্রান পাচ্ছেন না। সুতরাং আপনাকে আরও উন্নত প্রজুক্তি ব্যাবহার করতে হবে। আপনার এই সাধের বা প্রয়োজনের জিনিশটার দামের চেয়ে যে সিস্টেম টার দাম অনেক অনেক কম, আপনি কেন সেটা ব্যাবহার করবেন না ?

 

চুরি হয়ে গেলে মাথায় হাত দিয়ে লাভ নেই, আগেই জেনে রাখুন আপনার এই প্রজুক্তি কিভাবে কাজ করবে, কিভাবে চোরকে তার কাজ থেকে বিরত রাখবেন ।

ঢাকা শহরে প্রায় কয়েক কোটি মানুষের বসবাস । আর এই কোটি মানুষের যাতায়াতের জন্য রয়েছে অসংখ্য গাড়ি। প্রত্যেক দিন এই গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে PRIVATE CAR. প্রত্যেক গাড়ির মালিকের শখ এবং নিতান্তই প্রয়োজন এর জিনিস তার গাড়িটি।

অথচ, অনেক ক্ষেত্রেই এই গাড়ির নিয়ন্ত্রণ থাকে গাড়ির ড্রাইভার এর উপর। অর্থাৎ, ইচ্ছে করলেই গাড়ির ড্রাইভার আপনার অগোচরে কথা অমান্য করে তার ইচ্ছা মত যেখানে সেখানে ঘুরাফেরা করা , অপ্রয়োজনে এ সি চালানো, রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা, তেল চুরি করা, অবস্থান নিয়ে মিথ্যা কথা বলা, গাড়ি অতিরিক্ত গতিতে চালানো ছাড়াও আপনার অনুমতি না নিয়েই চলে যেতে পারে ঢাকার বাইরে। অথবা বিক্রি করে দিতে পারে আপনার মূল্যবান গাড়িটি।

শুধু তাই নয়, আপনার গাড়িটি আপনি পার্ক করে যে জায়গায় রেখে নিজের কাজগুলু সারলেন, এসে দেখলেন যে আপনার গাড়িটি আর সেই জায়গায় নেই , অর্থাৎ আপনার গাড়িটি চুরি হয়ে গেছে। গাড়ি চুরেরা সাধারানত অন্যান্য চুরের চাইতে অধিক চালাক এবং এরা চক্রবদ্ধভাবে গাড়ি চুরি করে থাকে। এবং এদের চক্রের সাথে আপনি হয়ত পেরে উঠতে পারবেন না বা পারেন না। ।

ঠিক এই রকম সমস্যার সমাধান এখন বাংলাদেশে রয়েছে কিছু প্রজুক্তি । আপনি সেইগুলু ব্যাবহার করেই আপনার গাড়ির নিরাপত্তা দিতে পারবেন।

 

ধরুন আপনার গাড়িটি চুরি হয়ে গিয়েছে। আপনি তা জানতে পারলেন। এই হারিয়ে যাওয়া গাড়ি বা চুরি হয়ে যাওয়া গাড়িটি খুঁজে বের করতে আমাদের দেশে পাওয়া যাচ্ছে এমন কিছু DEVICE যা আপনার শখের হারিয়ে যাওয়া গাড়িটির অবস্থান বলে দিতে পারবে। এই সিস্টেম এর নাম হল GPS TRACKER( GLOBAL POSITIONING SYSTEM)। শুধু তাই নয়,এই সিস্টেম ব্যাবহার এর মাদ্ধমে আপনি এস এম এস করে গাড়িটি থামিয়ে দিতে পারবেন।সেই চোরটিও গাড়ির ভেতরেই আটকে পরবে।অর্থাৎ আপনি একই সাথে গাড়ি এবং গাড়ি চোর দুটোই পাচ্ছেন। যাকে বলা যায় ‘সাপও মরবে,লাঠিও ভাঙবে না’।

এই TOTAL SYSTEM এর পেছনে কাজ করবে DEVICE সরবরাহকারি কিছু প্রতিষ্ঠান ।আপনি যখনি এই ধরনের কোন সমস্যায় পরবেন,তখনি ঐ প্রতিষ্ঠান গুলোতে INFORM করলেই তারা আপনাকে আপনার গাড়িটি কোথায় আছে তার যাবতীয় খোঁজ খবর পেতে সাহায্য করবে।সেই সাথে গাড়িটি যেখানে আছে সেখানেই ব্লক করে দিবে।এভাবে তাদের সাহায্যে আপনি খুব সহজেই আপনার চুরি বা ছিনতাই হয়ে যাওয়া শখের গাড়িটি খুঁজে পাবেন।

শুধু তাই নয় DEVICE এর মাদ্ধমে আপনার গাড়ির সকল তথ্য আপনার কাছে থাকবে। অর্থাৎ আপনার মোবাইল এর দ্বারা কোন কমান্ড করে আপনি জায়গায় দাঁড়িয়ে গাড়ির যে কোন ফাংশন বন্ধ করে দিতে পারবেন।

এই সিস্টেম ব্যাবহার করে আপনি যে সকল সুবিধা পেতে পারেন।

১. আপনার হাতের মোবাইল দিয়েই গাড়িটির সকল প্রকার নিয়ন্ত্রণ রক্ষা করতে পারবেন।

২. ইন্টারনেট ব্যাবহার করে আপনি নিজেই গাড়ির অবস্থান দেখতে পারবেন।

৩. ড্রাইভার এর সকল চালাকির অবসান ঘটাতে পারবেন।

৪. চুরি বা ছিনতাই হলে গাড়িটির নিরাপত্তা পাবেন।

৫. দৈনিক বা মাসিক তেল খরচ হিসেব করতে পারবেন।

৬. আপনার গাড়িটি সারাদিন কোন কোন জায়গায় গেল, কোন জায়গায় দাঁড়াল, এই সকল তথ্য।

৭. ৩মাস পর্যন্ত আপনি যে কোন দিনের তথ্য পেতে পারেন অইসব কোম্পানি কাছ থেকে।

এই সিস্টেম REAL TIME TRACKING পদ্ধতি মেনে চলে । প্রতি 25 সেকেন্ড পর পর SERVER DATABASE এর UPGRADE হয়, ফলে আপনার গাড়িটির সারা দিনের তথ্য আপনি মুহূর্তেই পেতে পারেন। ধরুন আপনার গাড়ি ৩ আজকে সারাদিনে চলল ১০০ কি মি। আপনার FUEL CONSUMPTION হিসেব করলেই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার তেলের খরচ ।

তাছাড়া আপনার গাড়িটি সারাদিন কোন কোন জায়গায় গেল, কোন জায়গায় দাঁড়াল, এই সকল তথ্য SERVER যে জমা থাকবে মাস। অর্থাৎ ৩মাসের মধ্যে যে কোন দিন আপনি আপনার হিসেব চাইলেও অইসব কোম্পানি আপনাকে তা দিতে পারবে ।

সম্প্রতি গাড়ি ছিনতাই প্রতিরোধে লোকেশন মনিটরিং ব্যবস্থা (জিপিএস) সংযোজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনসহ ছিনতাইয়ের হুমকি রয়েছে এমন সব ধরনের যানবাহনেই এই ব্যবস্থা সংযোজন করা হবে। যানবাহনে জিপিএস সংযোজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিআরটিএ-কে। তবে এর ব্যয় বহন করবে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিকরা। যে কোনো কোম্পানি থেকে জিপিএস ডিভাইস কিনে তা গাড়িতে সংযোজন করলে ছিনতাই বা চুরি হওয়া গাড়ি উদ্ধার করা যাবে সহজে।

গাড়ী-ট্র্যাকিং সিস্টেম-প্রসঙ্গে- GPS CommunicationsBD ভেহিকেল ট্র্যাকিং বিভাগ থেকে জানা যায়, ডিভাইসটি গাড়িতে লাগানো থাকলে যে কোনো স্থানে বসেই চুরি হওয়া গাড়ির দরজাও বন্ধ করে দেওয়া যাবে নির্ধারিত পিন কোড ব্যবহার করে। এ ছাড়া বুয়েট থেকে পরীক্ষিত CommunicationsBD ভেহিকেল ট্র্যাকিংয়ের জিপিএস ডিভাইস প্রযুক্তি ব্যবহার করলে গ্রাহক তিন বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা পাবেন। যানবাহন চুরি ও ছিনতাই রোধে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, জিপ ও পণ্যবাহী ট্রাকে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) লাগানো বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। ফলে গাড়ির মালিক বা অন্য যে কোনো পক্ষ গাড়ির গন্তব্য অবস্থান নির্ণয় করতে পারবেন। এই প্রযুক্তিসেবা পাওয়া যাবে CommunicationsBD সংশ্লিষ্ট যে কোনো সেবাদান কেন্দ্রে।

এই প্রযুক্তিতে গাড়ির একটি গোপন স্থানে লাগানো থাকে ট্র্যাকারটি। আর এই ডিভাইসটি ব্যবহারের ফলে কোনো গাড়ি চুরি গেলেও গাড়ির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে গাড়িটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। মোটরগাড়ি, বাস, ট্রাক, মিনিবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রে ব্যবহারকর এ যন্ত্রটি। দাম ১৩হাজার টাকা। আর প্রতিমাসে গুনতে হবে ৭৫০ টাকা।

বাংলাদেশও এই প্রযুক্তি নতুনভাবে গ্রহণ করেছে। দেশে মোবাইল কোম্পানিগুলোর টাওয়ার ব্যবহার করে গড়ে তোলা হবে এ প্রযুক্তির শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এর ফলে মুহূর্তেই শনাক্ত করা যাবে চুরি হয়ে যাওয়া গাড়িটির অবস্থান। মোবাইল সিম কার্ডের মতো ছোট্ট একটি ডিভাইস সংযুক্ত থাকবে গাড়িতে। কোনো গাড়ি চুরি হলে মোবাইল টাওয়ারের মাধ্যমে গাড়িটির অবস্থান শনাক্ত করা যাবে। হাইটেক এ প্রযুক্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে ডিভাইসটি লক করার ব্যবস্থা থাকবে। ডিভাইসটি লক করে দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে গাড়ির ইঞ্জিন। বিশেষ এই ডিভাইসটি গাড়ির এমন স্থানে লুকানো থাকবে যা খুলতেও সময় লাগবে তিন থেকে চার ঘণ্টা। গাড়ি ছিনতাই বা চুরির পর এ সময়ের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার করে ফেলতে পারবে গাড়িটি।

এনট্র্যাক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শতকরা ৯৯ শতাংশ গাড়ি উদ্ধার করা সম্ভব। এনট্র্যাক সব ধরনের গাড়িতে ব্যবহার করে গাড়ি চুরি বা ছিনতাই সম্পূর্ণরূপে রোধ করা সম্ভব। ইন্টারনেটে লগ ইন করে জিআইএস ও জিপিএসের সাহায্যে গুগল আর্থ ও এনট্র্যাকের নিজস্ব ম্যাপের মাধ্যমে কম্পিউটারে দেখা যাবে গাড়ি চুরি করে চোর কোন পথে চালাচ্ছে। গাড়ি চুরি বা ছিনতাই হয়েছে জানার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই জানা যাবে গাড়িটি কোথায় কী অবস্থায় আছে। এটি গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে দেয়, ফলে চোর গাড়ির ভেতরেই আটকা পড়ে। এ ছাড়া এ প্রযুক্তিতে মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস করে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

 

আশা করি একজন মানুষ গাড়ির নিরপত্তার জন্য যা যা আশা করে, সে সকল বিষয়ে কিছুটা হলেও ধারনা দিতে পেরেছি। (0)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ টিপস এবং ট্রিকস

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon