জাকির নায়েক সম্পর্কে ধর্ম বাব্সায়েদের যত অভিযোগ এবং তার সঠিক উত্তর : পর্ব – ৫ | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
মুহাম্মাদ তাওহিদ গাজী

মোট এলার্ম : 158 টি

মুহাম্মাদ তাওহিদ গাজী

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক :

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



জাকির নায়েক সম্পর্কে ধর্ম বাব্সায়েদের যত অভিযোগ এবং তার সঠিক উত্তর : পর্ব – ৫
নেইল এলার্ম এর 8 তম পর্বের 9 নাম্বার নেইল এলার্ম।পর্বের নাম ড. জাকির নায়েক
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

ডা. জাকির নায়েকের বিপুল জনপ্রিয়তা, তার মাধ্যমে অসংখ্য অমুসলিমের ইসলাম গ্রহন এবং  তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে মুসলিম উম্মাহ শুধুমাত্র কুরআন-সহিহ হাদিসের উপর আমল করছে…………… এসকল কারনে এই উপমহাদেশের কিছু সংখ্যক লোকের কাছে তিনি চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন। তারা ডা. জাকিরের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এখন প্রশ্ন হল এরা কারা হতে পারে??? আমার মতে তারা হল- ১. ভণ্ড পীর এবং তাদের মুরিদ। (ভণ্ড পীরদের বাবসা টিকিয়ে রাখার জন্য শুধুমাত্র “মুসলিমদের কম জ্ঞান এবং বিভ্রান্তিই” যথেষ্ট।) ২. ক্রিস্টিয়ান এবং ইহুদি। (প্রতি বছরই তাদেরকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেয়া হয় যেকোনো ভাবে অন্য ধর্ম হতে ফুসলিয়ে ফাঁসলিয়ে নিজ ধর্মে ধর্মান্তরিত করতে।) ৩.  নাস্তিকবৃন্দ। ৪. নামসর্বস্ব দেওবন্দি আলেমগণ।   সবচেয়ে মজার ব্যপার হল ডা. জাকির প্রায় প্রতি বছরই মালেসিয়া, সৌদি আরব, কাতার ইত্যাদি দেশে অনুষ্ঠান করলেও ২০০৯ সাল থেকে তার বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও এক শ্রেণির ধর্ম ব্যবসায়িদের কারনে তিনি বাংলাদেশের ভিসা পাচ্ছেন না। নিচে তার বিরুদ্ধে আনা কয়েকটি অভিযোগের জবাব দেয়া হল। gmail-logo-vector-01 অভিযোগ ৫. পবিত্র কুরআন স্পর্শ করার জন্য কোনো অজুর প্রয়োজন নেই।   এখানে কথাগুলো ঠিক এভাবে আসেনি। বইতে যেভাবে আছে আমি তা তুলে ধরছি- ‘‘যদি শেষ বিচার দিনে মহান আল্লাহ আমাকে কৈফিয়ত তলব করেন আরবিসহ কুরআন কেন আমি অমুসলিমদের দিয়েছি, তাতেও আমার ভয়ের কারণ নেই। কেননা আমি নিশ্চিতভাবেই জানি মুহাম্মদ (সা.) কে আমার পক্ষে পাব। তিনি নিজেই বিভিন্ন সময় অমুসলিম বাদশাহদের নিকট আরবি ভাষায় লিখিত পত্র প্রেরণ করতেন যার মধ্যে কোরআনের আয়াতও থাকতো। আবিসিনিয়ার বাদশাহ সম্রাট হিরাক্লিয়াস, ইমেমেনের রাজা, মিসরের বাদশাহের নিকটেই মহানবী (সা.) এমন পত্র দিয়েছেন। তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ইসলাম গ্রহণ করলো, কেউ কেউ পত্র ছিন্ন করে, অনেকেই পদতলে পিষ্ট করলো। তাই মহান আল্লাহ যদি সত্যিই আমাকে অভিযুক্ত করে তবে মহানবী (সা.) কে অবশ্যই কাছে পাব। এ ধরনের একটি পত্র এখনো ইসত্মাম্বুলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এ পত্রে সূরা আল ইমরানের আয়াত নং ৬৪ তে স্পষ্টভাবেই লিপিবদ্ধ আছে।’’   অভিযোগ ৬. একই দিন ঈদ ও জুমআ হলে জুমআর নামাজ পড়ার দরকার নেই।   এ প্রসঙ্গে জাকির নায়েক বলেন- ‘‘জুমার দিনে আগে ঈদের নামাজ আদায় করলে পরে জুমার নামাজ আদায় করা আর না করা ঐচ্ছিক ব্যাপার। সুতরাং এ গুলোই ঈদের নামাজের পদ্ধতি। (আবু দাউদ, অধ্যায়- সালাত, হাদীস নং ১০৬৮) ’’এখানে তিনি যে হাদীসটার কথা বলেছেন তা আমার দেখা হয়নি। তবে মনে করি উক্ত হাদীসে সে রকম নিয়মের কথা আছে বলেই তিনি এই হাদীসটার কথা এখানে উল্লেখ করেছেন।   অভিযোগ ৭. ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ১২ তাকবীর দিতে হবে। এ ব্যপারে সহিহ হাদিস আছে। যেমন- দারাকুতনি (হাদিস নং- ১৭০৪, ১৭১০, ১৭১২, ১৭১৪), বায়হাকি (হাদিস নং- ৩/২৮৭), ইবনে মাজাহ(হা- ১০৬৩,১২৭৮), আবু দাউদ (হা-১০২০,১১৫১)   অভিযোগ ৮. তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ একই নামায। সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা কাউন্সিলের সাবেক প্রধান মুফতী সম্মানিত শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রঃ)কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তারাবী, কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদের মধ্যে পার্থক্য কি? উত্তরঃ সম্মানিত শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রঃ) বলেনঃ রাতের নামাযকে তাহাজ্জুদ বলা হয়। একে কিয়ামও বলা হয়। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَكَ আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ পড়, ওটা তোমার জন্য নফল। (সূরা বানী ইসরাঈলঃ ৭৯) আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ قُمِ اللَّيْلَ إِلا قَلِيلًا ওহে চাদরে আবৃত (ব্যক্তি), রাতে সালাতে দাড়াও, রাতের কিছু অংশ বাদে। (সূরা মুজাম্মেলঃ ১-২) আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُحْسِنِينَ كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ তাদের প্রতিপালক যা তাদেরকে দিবেন, তা তারা ভোগ করবে, কারণ তারা পূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) ছিল সত কর্মশীল। তারা রাত্রিকালে খুব কমই শয়ন করত। (সূরা আয-যারিয়াতঃ ১৬-১৭) আর মানুষের উপর সহজ করে এবং বেশী দীর্ঘ না করে রামাযান মাসে রাতের প্রথম ভাগে কিয়ামুল লাইল করাকে আলেমদের পরিভাষায় তারাবী হিসেবে নাম করণ করা হয়। একে তাহাজ্জুদ এবং কিয়ামুল লাইল হিসেবে নাম করণ করাও জায়েয আছে। এতে কোন অসুবিধা নেই। (বিস্তারিতঃ ছালাতুর রাসুল(স)- ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব ) আরবীতে পারদর্শী ভাইদের জন্য ফতোয়ার লিংক দেয়া হল। অনুবাদে ভুল হয়ে থাকলে জানাবেন বলে আশা রাখি। (662)

Share Button
Series Navigation<< জাকির নায়েক সম্পর্কে ধর্ম বাব্সায়েদের যত অভিযোগ এবং তার সঠিক উত্তর : পর্ব – ৪জাকির নায়েক সম্পর্কে ধর্ম বাব্সায়েদের যত অভিযোগ এবং তার সঠিক উত্তর : পর্ব – ২ >>
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ ড. জাকির নায়েক

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon