বিস্তারিত জানুন : কিভাবে হবেন একজন সফল ফ্রিল্যান্সার !!! | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
সুনাম গাজী

মোট এলার্ম : 84 টি

সুনাম গাজী

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক :

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



বিস্তারিত জানুন : কিভাবে হবেন একজন সফল ফ্রিল্যান্সার !!!
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং
একটা সময় ছিল যখন পড়ালেখা শেষ করে একজন তরুনকে একটি চাকুরীর জন্য বিভিন্ন কোম্পানীর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হত। কিন্তু চাকুরী যেন সোনার হরিণ এর মত অধরা থেকে যেত। যদিওবা চাকুরী পাওয়া গেল কিন্তু থাকত না অর্জিত শিক্ষার সাথে কোন সম্পর্ক। পাওয়া যেত না যোগ্যতার উপযুক্ত সম্মান। আর এখন তরুনরা একটা চাকুরীর জন্য বসে নেই, নিজেরাই খোঁজে নিয়েছে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের চাকা। …ভাবছেন স্বপ্ন দেখাচ্ছি, সত্যি করে বলতে কি ইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর বদৌলতে ঠিক এরকম একটা ব্যাপার আমাদের দেশে ঘটতে যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে। ইতোমধ্যে আমাদের দেশে এরকম কয়েকশত অনলাইন ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা নিয়মিতভাবে আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করে থাকেন। এদের মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা পড়ালেখা শেষ করে কোন চাকুরীতে যোগ না দিয়ে সরাসরি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করছেন। অনেকে আবার অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করছেন। কিন্তু ব্যাপারটা বেশিরভাগের কাছে পরিষ্কার না হওয়ায় আউটসোর্সিং এর বিশাল বাজারে ভারত বা পাকিস্তানের মত আমরা সেইভাবে প্রবেশ করতে পারিনি।
আউটসোর্সিং:
প্রথমেই দেখে নেয়া যাক আউটসোর্সিং এবং অফশোর আউটসোর্সিং (Offshore Outsourcing) কি এবং কেন করা হয়। আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে পণ্যের শুধু ডিজাইন করা অথবা সম্পূর্ণ উrপাদন অন্য প্রতিষ্ঠান দিয়ে কwরয়ে নেয়া। আউটসোর্সিং এর সিদ্ধান্ত সাধারণত নেয়া হয় উrপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পh©vপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবেও আউটসোর্সিং করা হয়। অন্যদিকে অফশোর আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজ দেশে সম্পন্ন না করে ভিন্ন দেশ থেকে করিয়ে আনা। প্রধানত ইউরোপ এবং আমেরিকার ধনী দেশগুলো অফশোর আউটসোর্সিং করে থাকে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে পণ্যের গুণগত মান ঠিক রেখে কম পারিশ্রমিকের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করা। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমন – ডাটা প্রসেসিং, প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, টেকনিকাল সাপোর্ট ইত্যাদি) অফশোর আউটসোর্সিং করা হয়। যেসকল দেশ এই ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেইন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপিনস, রাশিয়া, পাকিস্থান, পানামা, নেপাল, বাংলাদেশ, রোমানিয়া, মালয়শিয়া, মিশর এবং আরো অনেক দেশ।
ফ্রিল্যান্সিং:
এবার দেখে নেয়া যাক, ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) কি এবং কিভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার (Freelancer) হওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সার হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি ছাড়া কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা। গতানুগতিক ৯টা-৫টা অফিস সময়ের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার স্বীমাবদ্ধ নয়। ইন্টারনেটের কল্যাণে ফ্রিল্যান্সিং এখন একটি নির্দিষ্ট স্থানের সাথেও সম্পর্কযুক্ত নয়। আপনার সাথে যদি থাকে একটি কw¤úউটার আর একটি ইন্টারনেট সংযোগ তাহলে যেকোন জায়গাতে বসেই আপনি ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন। হতে পারে তা ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, ছবি সম্পাদনা, ডাটা এন্ট্রি বা কেমবলমাত্র লেখালেখি করা।

ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস:
ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আউটসোর্সিং এর সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। এই সকল সাইটকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটে দুই ধরনের ব্যবহারকারী থাকে। এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজগুলো সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Freelancer, Provider, Seller অথবা কোন কোন ক্ষে‡ত্র Coder. একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য একাধিক ফ্রিল্যান্সাররা আবেদন করে, যাকে বলা হয় বিড (Bid) করা। বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সাররা কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী উল্লেখ করে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ এবং বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সার মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট একজন ফ্রিল্যান্সারকে নির্বাচন করে থাকে। ফ্রিল্যান্সার নিe©চন করার পর K¬vয়েন্ট প্রজেক্টের সম্পূর্ণ টাকা ওই সাইটগুলোতে এস্ক্রো (Escrow) নামক একটি একাউন্টে জমা করে দেয়, যা কাজ শেষ হবার পর সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সারের পাওনা পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে। কাজ শেষ হবার পর ফ্রিল্যান্সারকে সম্পূর্ণ প্রজেক্টটি ওই সাইটে জমা দিতে হয়। এরপর ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারের কাজটি যাচাই করে দেখে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ক্লায়েন্ট তখন সাইটে একটি বাটনে ক্লিক করে কাজটি গ্রহণ করে। সাথে সাথে এস্ক্রো থেকে অর্থ ওই সাইটে ফ্রিল্যান্সারের একাউন্টে এসে জমা হয়। সম্পূর্ণ সার্ভিসের জন্য এসময় ফ্রিল্যান্সারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১০% বা ১৫%) ওই সাইটকে ফি বা কমিশন হিসেবে দিতে হয়| এরপর মাস শেষে সাইটটি ফ্রিল্যান্সারের আয়কৃত অর্থ বিভিন্ন পদ্ধতিতে তার কাছে প্রেরণ করে|
ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট

ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয়। এগুলো থেকে যেকোন একটিতে রেজিস্ট্রিশনের মাধ্যমে আপনি শুরু করতে পারেন। এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এক কাজগুলো সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Provider বা Coder. একটি কাজের জন্য অসংখ্য কোডাররা Bid বা আবেদন করে এবং ওই কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তাও উল্লেখ করে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নিe©vচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ এবং বিড করার সময় কোডারের মন্তব্য কোডার নিব©vচন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোডার নিe©vচন করার পর ক্লায়েন্ট কাজের সম্পূর্ণ টাকা ওই সাইটগুলোতে জমা করে দেয়। এর মাধ্যমে কাজ শেষ হevর পর সাথে সাথে টাকা পাবার নিশ্চয়তা থাকে। পুরো সার্ভিসের জন্য কোডারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ ওই সাইটকে ফি হিসেবে দিতে হয়। এই পরিমাণ ওয়েবসাইট এবং কাজের ধরনভেদে ভিন্ন ভিন্ন (১০% থেকে ১৫%)। এই সাইটগুলোকে কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট হচ্ছে:
http://www.RentACoder.com, http://www.GetAFreelancer.com, http://www.GetACoder.com, http://www.Scriptlance .com, http://www.Joomlancers .com , http://www.oDesk.com ইত্যাদি।

অনলাইনে কাজের প্রকারভেদ
অনলাইনে প্রায় সকল ধরনের কাজ করা যায়। আপনি যে কাজে পারদর্শী তা দিয়েই ঘরে বসে আয় করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতকধারী হতে হবে তা কিন্তু নয়। আর আপনি যদি মনে করেন কোন একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আপনি বিশেষ পারদর্শী নন তাহলে ডাটা এন্ট্রির মত কাজগুলো সহজেই করতে পারেন। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর প্রায় সকল ধরনের কাজ পাওয়া যায়। প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট তৈরি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া থেকে শুরু করে ডাটা এন্ট্রি, ডাটা প্রসেসিং, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অথবা কোন ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল লেখা – কি নেই সাইটগুলোতে। অনলাইনে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় তা জানতে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করুন।

ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত কাজগুলোকে দুই ভাগে ভাগ কারা যায়:
১. দক্ষ বা প্রফেশনাল হয়ে কাজ করা
২. কোন প্রকার দক্ষতা ছাড়া কাজ করা

কোন প্রকার দক্ষতা ছাড়া কাজের মধ্যে রয়েছে-

PTC
Advertising
Picture Marketing
Data Entry
AW Survey
Video Marketing
Sign up/Comments
Twitter Marketing
Facebook Marketing
তবে এগুলো করে তেমন ভাল আয় করা যায় না। ভাল আয় করার জন্য যে কোন একটি বিষয়ে দক্ষ বা প্রফেশনাল হতে হবে।

2. দক্ষ বা প্রফেশনালদের কাজের মধ্যে রয়েছে-

Web Design
PHP
Java Script
Java
XHTML
XML
C Programming
ASP.Net
Perl
CMS
Graphics Design
Multimedia
Flash
SEO
Marketing
Writing
CGI
Theme Markin

এখানে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটের কয়েকটি কাজের ক্যাটাগরি উল্লেখ করা হল:

Web Development
• Web Design (3842)
• Web Programming (6008)
• Ecommerce (914)
• UI Design (201)
• Website QA (91)
• Website Project Management (344)
• Other – Web Development (1201)
Software Development
• Desktop Applications (551)
• Game Development (170)
• Scripts & Utilities (329)
• Software Plug-ins (155)
• Mobile Apps (1412)
• Application Interface Design (126)
• Software Project Management (73)
• Software QA (51)
• VOIP (72)
• Other – Software Development (726)
Networking & Information Systems
• Network Administration (111)
• DBA – Database Administration (81)
• Server Administration (223)
• ERP / CRM Implementation (48)
• Other – Networking & Information Systems (185)
Writing & Translation
• Technical Writing (325)
• Website Content (933)
• Blog & Article Writing (2348)
• Copywriting (298)
• Translation (391)
• Creative Writing (303)
• Other – Writing & Translation (509)
Administrative Support
• Data Entry (1046)
• Personal Assistant (711)
• Web Research (586)
• Email Response Handling (45)
• Transcription (167)
• Other – Administrative Support (500)
Design & Multimedia
• Graphic Design (1579)
• Logo Design (579)
• Illustration (254)
• Print Design (191)
• 3D Modeling & CAD (219)
• Audio Production (70)
• Video Production (458)
• Voice Talent (98)
• Animation (280)
• Presentations (113)
• Engineering & Technical Design (84)
• Other – Design & Multimedia (345)
Customer Service
• Customer Service & Support (193)
• Technical support (74)
• Phone Support (85)
• Order Processing (15)
• Other – Customer Service (83)
Sales & Marketing
• Advertising (338)
• Email Marketing (229)
• SEO – Search Engine Optimization (1812)
• SEM – Search Engine Marketing (347)
• SMM – Social Media Marketing (663)
• PR – Public Relations (88)
• Telemarketing & Telesales (548)
• Business Plans & Marketing Strategy (107)
• Market Research & Surveys (135)
• Sales & Lead Generation (828)
• Other – Sales & Marketing (425)
Business Services
• Accounting (120)
• Bookkeeping (94)
• HR / Payroll (21)
• Financial Services & Planning (46)
• Payment Processing (10)
• Legal (101)
• Project Management (87)
• Business Consulting (99)
• Recruiting (84)
• Statistical Analysis (70)
• Other – Business Services (415)
অন্যদিকে আরেকটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইট http://www.GetACoder.com পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে এ পর্যন্ত যে সকল প্রজেক্ট সাবমিট করা হয়েছে তার মধ্যে প্রোগ্রামিং (৩৬.৯%) এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্টের (২৬.৮%) কাজগুলোই সবচেয়ে বেশি। তার পরবর্তী স্থানে রয়েছে গ্রাফিক্স/মাল্টিমিডিয়া (১২.৪%) এবং ডাটাবেইজের (১২.৩%) কাজগুলো।

মাইক্রোওয়ার্কারস – ছোট এবং সহজ ডাটা এন্ট্রিকাজ
ডাটা এন্ট্রি কাজ যারা করেন তারা ভালভাবেই জানেন যে একটি ডাটা এন্ট্রি কাজপাওয়া কতটা কঠিন। কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার জানলেই এ ধরনের কাজ করাযায়। এজন্য প্রায় প্রতিটি মার্কেটপ্লেসে এক একটি ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্ট করতে শত শতআবেদন পড়ে। এদের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট একজনকে বেছে নিতে ক্লায়েন্টদেরকেস্বীদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে হয়। প্রথম কাজ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েকমাসও লেগে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নতুন ফ্রিল্যান্সাররা কিছুদিনবিড করার পর কাজ না পেয়ে শেষে ফ্রিল্যান্সিং করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেন।আজকে যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তাতে কাজ করার জন্য কোনবিড বা আবেদন করতে হয় না। অর্থাৎ ইচ্ছে করলে এই মূহুর্ত থেকে কাজ শুরু করেদেয়া যায়। আর কাজগুলোও অত্যন্ত সহজ। সাইটটি হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্কারস(http://www.microworkers.com)।

প্রথম দর্শনেই সাইটটিকে সহজবোধ্য মনে হবে।

মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই সাইটের কাজগুলো অত্যন্তছোট ছোট। এক একটি কাজ করতে ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রতিটি কাজেরমূল্য ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 4 ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাইটেপ্রতিদিনই নতুন নতুন কাজ আসে। এখানে একটি কাজ কেবলমাত্র একবারই করাযায়। মোট আয় ৯ ডলার হলেই চেক, মানিবুকার্স, পেপাল এবং এলার্টপে সার্ভিসেরমাধ্যমে উত্তোলন যায়।

ডাটা এন্ট্রির কাজ কোথায় পাওয়া যায় তা জানতে অনেকেই আমাকে ইমেইল করেন।আমি ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে কাউকে উৎসাহ দেই না। কারণ এই কাজগুলো পাওয়াখুব কঠিন হয়ে থাকে। তাছাড়া কাজগুলো একঘেয়ে হয় এবং এর মাধ্যমে খুব বেশিআয় করা যায় না। আমি তাই সবাইকে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার পরামর্শ দেই। তবেএটা সত্য যে গ্রাফিক্সের কাজগুলো সহজ নয়। এর জন্য অনেক দক্ষতা এবং চর্চারপ্রয়োজন রয়েছে, যা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যেডাটা এন্ট্রির কাজগুলো করার প্রবণতা থেকেই যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমি সবাইকেগেট-এ-ফ্রিল্যান্সার থেকে কাজ করার পরামর্শ দেই। কিন্তু এখানেও মূল সেইসমস্যাটি থেকেই যাচ্ছে, কাজ পাওয়া খুব কঠিন। প্রথম কাজ পেতে আপনাকে কয়েকসপ্তাহ, এমনকি এক মাসও অপেক্ষা করতে হতে পারে।

আজকে আপনাদেরকে যে সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তা থেকে কাজ পেতেকোন অপেক্ষা করতে হবে না। এই মূহুর্ত থেকেই কাজে লেগে যেতে পারবেন।সাইটটি হচ্ছে – http://www.microworkers.com। প্রথম দর্শনে সাইটটিকে আমার খুবইচমৎকার এবং সহজ মনে হয়েছে। মনে হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি ফ্রিল্যান্সাররা এই সাইটকেস্বাদরে গ্রহণ করবে।

মূল বেশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে –
• এখানে কাজ করার জন্য কোন বিড করতে হয় না।
• কাজগুলো খুবই ছোট হয়ে থাকে, প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে সাধারণত ৫মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সময় লাগবে।
• কাজটি আপনি সত্যি সম্পন্ন করেছেন কিনা তার একটি প্রমাণ দিতে হয়।এজন্য কাজের বর্ণনার নিচে “I accept this job” লিংকে ক্লিক করলে একটিটেক্সটবক্স দেখাবে। কিভাবে প্রমাণ দিবেন তার বর্ণনা কাজের বর্ণনার সাথেই পাবেন।
• কাজগুলো যেহেতু ছোট তাই অর্থের পরিমাণও সামান্য, প্রতিটি কাজ ০.১০ডলার থেকে শুরু করে ১.৫০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
• প্রায় প্রতি ঘন্টায় নতুন নতুন কাজ আসে।
• একটি কাজ একবারই করতে পারবেন।
• মোট আয় ৯ ডলার হলে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
• চারটি পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করা যায় – চেক, মানিবুকারস, পেপাল এবংঅল্টারপে।
• প্রথমবার অর্থ উত্তোলন করতে গেলে আপনার ঠিকানায় একটি চিঠি পাঠানোহবে, যাতে একটি Pin নাম্বার দেয়া থাকবে। এই পদ্ধতিতে আপনার ঠিকানা যাচাইএবং একজন ব্যবহারকারী যাতে দুটি একাউন্ট করতে না পারে তা নিশ্চিত করা হয়।

কাজের প্রকারভেদ:
সাইটে যে ধরনের কাজ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর সর্বনিম্ন মূল্য নিচে দেয়া হল –
• Visit my site + Comment $0.10: কাজের বর্ণনায় উল্লেখিত ওয়েবসাইটে গিয়েএকটি নির্দিষ্ট শব্দের মন্তব্য দিতে হবে।
• Follow my Twitter $0.10: বর্ণনায় উল্লেখিত একটি Twitter একাউন্ট কেFollow করা, এজন্য twitter.com এ আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে।
• Simple sign up (2 fields) $0.10: বর্ণনায় উল্লেখিত সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা,যাতে মাত্র দুটি তথ্য দিতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় একটি ইমেইল ঠিকানাদিতে হয়। আমার পরামর্শ হল এই ধরনের কাজের জন্য ভিন্ন একটি একাউন্ট তৈরিকরে সেটি দেয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন। অন্যথায় স্পাম ইমেইলের কারণে আপনারদরকারী ইমেইল খোঁজে পাবেন না।
• Complex Sign up $0.15: উল্লেখিত সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা, যাতে বেশি তথ্যদিতে হবে।
• Digg my page $0.10: কোন একটি সাইটের পৃষ্ঠার জন্য Digg করা। এজন্যআপনার Digg.com এ একাউন্ট থাকতে হবে।
• Text link to a website $0.20: ক্লায়েন্টের সাইটের URL আপনার কোন সাইটবা ব্লগের সাথে লিংক দেয়া, অথবা ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোন ফোরামেপোস্ট করা।
• Review of my site + Link $0.30: ক্লায়েন্টে সাইট নিয়ে আপনার ব্লগেইংরেজিতে একটি পোস্ট এবং তার লিংক দেয়া।
• Download and Install $0.50 : কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটলকরা।

সাইটটি সম্পর্কে ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখেছি। বেশিরভাগই এটিকে ভাল বলেছে।বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে দেখলাম এই সাইটের ক্লোন করে আরো সাইট তৈরিহচ্ছে। ফলে আমার বিশ্বাস এই সাইট থেকে সত্যি সত্যি টাকা উপার্জন করা সম্ভব।সাইটটি পরীক্ষা করতে গিয়ে আমি দুটি কাজ করেছি। আমার ইচ্ছে আছে অন্তত ৯ডলার আয় করে দেখা আসলেই তারা টাকা দেয় কিনা। যদিও এটি করতে গিয়েআমার যথেষ্ঠ সময় কিছুটা ব্যয় হবে, যেখানে আমি প্রোগ্রামিং করে এর চেয়ে অনেকঅনেক বেশি আয় করি। তারপরও এই সাইট থেকে টাকা পেলে যারা ডাটা এন্ট্রি কাজকরতে চান তাদেরকে একটা সহজ রাস্তা বলে দিতে পারব।

PPC:
গুগুল এডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করুন!
Google Adsense বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google এর একটি Advertising program। এর মাধ্যমে উপার্জনের জন্য একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে। ফ্রি ওয়েব সাইটের মাধ্যমেও Google Adsense ব্যবহার করে উপার্জন করা সম্ভব। Google Adsense যদিও বহুদিন পূর্ব থেকেই সমগ্র বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদী উপার্জনের পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত, কিন্তু বাংলাদেশে বিষয়টি অনেকের কাছেই নুতন। প্রথমদিকে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের আইটি জগতে একটা হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। টাকা উপার্জনের জন্য অনেকেই নিজস্ব ওয়েবসাইট কিনে অথবা ফ্রি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেব্যবহার করেছে Adsense,
Google Adsense এর মূল প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে না বুঝার কারনে অনেকের Adsense একাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু যারা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে তারা ঠিকই উপার্জন করছে।
মূল বিষয় হচ্ছে, Google Adsense এর মাধ্যমে যে কোন ধরনের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে উপার্জন সম্ভব। শর্ত হচ্ছে, সাইটকে জনপ্রিয় করতে হবে। সাইটে প্রচুর ভিজিটর ঢুকতে হবে, ভাল contents থাকতে হবে। ভিজিটর একবার সাইটে প্রবেশ করে পুনরায় প্রবেশ করার আগ্রহ থাকে এ ধরনের contents প্রতিনিয়ত আপডেট রাখতে হবে। সাইটে ভিজিটর প্রবেশ করানো এবং তাদেরকে ধরে রাখতে পারলে ভিজিটরদের একটি অংশ স্বাভাবিকভাবেই Google এর বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। মনে রাখতে হবে, যত বেশি ভিজিটর আপনার সাইটে থাকবে তত আপনার উপার্জনের পরিমান বৃদ্ধি পাবে। আমি হিসাব করে দেখেছি, প্রতিদিন গড়ে ১০০০ ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করলে গড়ে ১০% ভিজিটর Google প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এতে গড়ে প্রতিদিন ১০ ডলার উপার্জন হবে। অর্থাৎ মাসে ৩০০ ডলার বা ২০০০০ টাকা উপার্জন করা সম্ভব শুধুমাত্র একটি মানসন্মত ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। একটি সাইট হতে এ ধরনের উপার্জন শুরু হয়ে গেলে ভিন্ন বিষয়ের উপর আরো সাইট আপনি তৈরি করতে পারবেন। অনলাইন উপার্জনের এক বিশাল দ্বার উন্মোচিত হবে আপনার জন্য। প্রয়োজন শুধু পরিশ্রম করার মানসিকতা। ভাবতে পারেন, ক্লিক করলেই যেহেতু ডলার তাহলে চিন্তা কি, সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে শুধু ক্লিক আর ক্লিক………! Google কি এতই বোকা! বিজ্ঞাপনদাতারা কি এতই বোকা! ক্লিক করলেই টাকা দিবে! না, Fake Click করলে Google তার একাউন্ট বন্ধ করে দিবে। Original ক্লিক করলেই শুধু ডলার জমবে। তাহলে Original ক্লিক কোনটি, যার মাধ্যমে ডলার পাওয়া যাবে? সে কথাই আসছি, যেহেতু সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে Google বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, সেহেতু ভিজিটর যদি সাইটের contents দেখার পাশাপাশি Google Ad এ ক্লিক করে উক্ত বিজ্ঞাপনদাতার সাইটে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করে (এক্ষেত্রে ভিজিটর কিন্তু fake ক্লিক করেনি, বড়ং তার নিজস্ব আগ্রহে উক্ত বিজ্ঞাপন দাতার সাইটে প্রবেশ করেছে) তবেই হবে Original ক্লিক। এ ধরনের স্বাভাবিক ক্লিক করলেই আপনার উপার্জন হবে। Google তার Adsense প্রোগ্রামের জন্য এমন টেকনোলজি ব্যবহার করেছে যে কেও fake ক্লিক করলে তা ধরে ফেলতে সক্ষম। অতএব, এ ধরনের অসাধু চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলতে হবে। মনে রাখতে হবে, Google Adsense একটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা। এর পুঁজি হচ্ছে, আপনার ব্লগিং পরিকল্পনা ও সঠিকভাবে তার ব্যবহার। নগদ মূলধন বলতে শুধুমাত্র একটি পিসি আর ডোমেইন/হোস্টিং এর জন্য মাত্র ২/৩ হাজার টাকা। সঠিকভাবে ব্লগিং করতে পারলে, পর্যাপ্ত ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করাতে পারলে মাসে হাজার ডলার উপার্জন করা সম্ভব-এটা কল্পনা নয়, বাস্তব।
পরিশ্রম করে একটা ভালমানের ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারলে আর ভিজিটর বাড়ানোর সব কৌশল প্রয়োগ করতে পারলে আপনাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আপনি ঘুমিয়ে থাকবেন আর আপনার একাউন্টে ডলার জমতে থাকবে। সত্যি অভাবনীয়!
ভিজিটর বাড়ানোর কৌশল জানতে আমাদের প্রকাশিত ’ইন্টারনেটে আয়ের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও লার্নিং’ সংগ্রহ করতে পারেন।
যারা Google Adsense ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদী উপার্জন করতে চান তাদের জন্য নিচে কতিপয় গাইডলাইন প্রদত্ত হল।১. যে ধরনের ব্লগিং সাইট করতে চান, তা ভেবে চিন্তে নির্বাচন করুন। অর্থাৎ যেসব সাইটে ভিজিটর বেশি প্রবেশ করে সে ধরনের সাইট তৈরি করুন। ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। এছারা, ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের প্রকাশিত ’ইন্টারনেটে আয়ের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও লার্নিং’ সংগ্রহ করতে পারেন। ২.সাধারণত শিক্ষামূলক (কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয়সহ অন্যান্য শিক্ষা), সাধারণ জ্ঞান, খেলাধুলা, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত, ফিটনেস টিপস্‌, ইত্যাদি বিষয়ের সাইটে ভিজিটর বেশি হয়ে থাকে। এ ধরনের ভালমানের সাইটকে ফলো করে আপনিও অনুরুপ ব্লগিং সাইট তৈরি করতে পারেন। ৩. প্রথমেই টাকা উপার্জনের চিন্তা মাথায় না এনে যথেষ্ট সময় নিয়ে সাইটকে সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন। ৪. কখনোই কোন সাইটের contents কপি করে আপনার সাইটে পোস্ট করবেন না। অবশ্য ভাল কোন ব্লগিং সাইটকে অনুকরণ করে নুতন আর্টিক্যাল, টিউটোরিয়াল, টিপস্‌, ইত্যাদি পোস্ট করতে পারেন। ৫. সাইট পরিপূর্ণভাবে তৈরি হলে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য মনোযোগী হোন। এক্ষেত্রে Seo এর প্রাথমিক বিষয়গুলো প্রয়োগ করুন। ( ব্যাকলিংক তৈরি, ফোরামে পোস্ট, বুকমার্কিং ইত্যাদি)
গুগল এডসেন্স ব্লগারদের কাছে এত জনপ্রিয়?

ইন্টারনেটে আয়ের কৌশল বললে যেকোন ব্লগারের প্রথম পছন্দ গুগল এডসেন্স। আমার মনে হয় ১০০ জনকে এই প্রশ্ন করলে, ৭০ জন “হ্যাঁ” বলবেন, ২০ জন দ্বিধাদ্বন্ধে ভুগবেন আর ১০ জন “না” বলবেন। যারা এডসেন্স সম্বন্ধে জানেন না, তাদের মনে এডসেন্সের জনপ্রিয়তা নিয়ে এই প্রশ্নটি জাগতেই পারে, তাই না?
চলুন তাহলে আজ এই বিষয়েই একটু আলোচনা করি।
এই পোষ্টটি মূলত অনেকগুলো পোষ্টকে একত্রে আপনার হাতে তুলে দেয়ার জন্য লেখা হলো। অনুগ্রহ করে লেখার প্রতিটি লিংকের পোষ্টগুলো পড়ে দেখবেন।
এডসেন্সে একাউন্ট খোলা খুবই সহজ
অন্য যেকোনো বিজ্ঞাপনদাতার চেয়ে এডসেন্সের একাউন্ট পাওয়া অনেক সহজ। এডসেন্সের জন্য একাউন্ট খোলা এতই সহজ যে আমরাই ওদের নিয়মের তোয়াক্কা করি না আর দোষ দেই যে গুগল এডসেন্সের একাউন্ট খুলে দিচ্ছে না। নিয়মমেনে এডসেন্সের জন্য আবেদন করলেই গুগল একাউন্ট খুলে দেয়।
ব্লগের বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেখায়
আপনার ব্লগ যেকোনো বিষয়েই হোক না কেন, গুগল ঠিক সেই বিষয়েই বিজ্ঞাপন দেখায়। বিজ্ঞাপনে ক্লিক পেতে এই বিষয়টি খুবই জরুরী। আপনার ওজন কমানোর ব্লগে যদি বিজ্ঞাপনদাতা ফুটবলের বিজ্ঞাপন দেখায় তাহলে কি পাঠকেরা আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে? না করবে না। এ বিষয়ে গুগল এডসেন্স সর্বসেরা।
পছন্দমতো সহজে বিজ্ঞাপন বসানো
আপনার সাইটের ডিজাইন যেমনই হোক না কেন, হরেক সাইজের টেক্সট, ইমেজ কিংবা ভিডিও বিজ্ঞাপন, রং, ফন্ট ব্যবহার করে গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন ঠিকই সাইটের সাথে মানিয়ে যায়। এই পোষ্টগুলো (১ম, ২য়) পড়ে দেখুন।
ক্লিক প্রতি আয়ের হার ভাল
এডসেন্সের প্রতি ক্লিকে আয়ের হার অন্য যেকোন বিজ্ঞাপনদাতার হারের চেয়ে বেশি। বিষয়ের উপর নির্ভর করে ক্লিকে আয়ের হারও উঠা নামা করে। Niche ব্লগিংয়ে তুলনামূলকভাবে আয় বেশি হয়।
যেকোনো বিষয়েই বিজ্ঞাপন দেখানো সম্ভব
উড়োজাহাজ হোক আর চায়ের ব্লগ হোক, গুগল যেন যেকোনো বিষয়েই বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে। তাই এডসেন্স ব্যবহারের সময় এই বিষয়ে কোনো চিন্তা করতে হয় না, কোড বসালোই গুগল বিষয় ভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখায়।
প্রতি ক্লিকেই টাকা পাওয়া যায়
অনেক বিজ্ঞাপনদাতা আছে যারা বিজ্ঞাপন দেবার আগে বলে দেয় যে নিদির্ষ্ট কিছু দেশ কিংবা এলাকা থেকে ক্লিক আসলেই কেবল ক্লিক প্রতি টাকা দেয়া হবে। কিন্তু গুগল এডসেন্সের বেলায় এমনটি ঘটে না। পাঠক যেকোনো দেশ, যেকোনো অঞ্চল থেকেই হোক না কেন, সঠিকভাবে ক্লিক পড়লেই পয়সা পাবেন। ভুলেও নিজে ক্লিক করবেন না কিংবা কাউকে ক্লিক করতে উৎসাহিত করবেন না। একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।
সময়মতো টাকা পাওয়া যায়
অনেক বিজ্ঞাপনদাতা আছে যারা প্রতি ৪৫ দিন কিংবা ৬০ দিনে পেমেন্ট করে। কিন্তু প্রতিমাসে ১০০ ডলার / ৬০ পাউন্ড হলেই ৩০ দিন পর গুগল চেক ইস্যু করে। কোনো ধরনের তালবাহানা কিংবা দেরি হয় না।
গুগলের সাথে প্রতারণা না করে নিয়ম মেনে চললে গুগল এডসেন্স হতে পারে ব্লগ থেকে আয়ের অনন্য উপায়।
আশা করি আপনিও সফল হবেন।
সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।
এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে সাধারনত পন্য বিক্রি করে কিছু কমিশন প্রাপ্তির এক ধরনের সিস্টেমকে বোঝানো হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও এ ধরনের সিষ্টেমে ব্যবসা করছে অনেক প্রতিষ্ঠান। বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে যতগুলো আয়ের পন্থা সম্পর্কে আমরা জেনেছি, এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তাদের মধ্যে অন্যতম। ভাল মানের একজন ব্লগার এ মাধ্যম থেকে প্রচুর পরিমান অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম।
ভাল মানের একজন ব্লগারের কথা বলছি এ কারনে যে, এই মাধ্যম থেকে উপার্জনের জন্যও আপনার দরকার হবে প্রচুর পরিমান ভিজিটর আর ভাল মানের একজন ব্লগারই পারে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ভিজিটর সংগ্রহ করতে। এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে Amazon বেশ ভাল মানের এবং নির্ভরযোগ্য একটি সাইট। বিশ্বের অনেক ব্লগার এই সাইটের পন্য মার্কেটিং করে প্রচুর পরিমান অর্থ উপার্জন করছে। এ সাইটের পন্য বিক্রি করতে পারলে আপনি পাবেন মোট পন্যমূল্যের ১৫%। অর্থাৎ ১০০ টাকার একটি পন্য বিক্রি হলে আপনি পাবেন ১৫ টাকা আর এই টাকার অঙ্কটা যখন ডলারে গননা করা হবে তখন তো আর বাংলাদেশী ১৫ টাকা থাকবে না। ১০০ ডলারের পন্য বিক্রি হলে আপনি পাবেন কমপক্ষে ১০০০ টাকা।
এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পূর্ব প্রস্তুতি:
১. শুরুতেই নিজস্ব ডোমেইন কিংবা ফ্রি ডোমেইন এর মাধ্যমে একটি ব্লগ সাইট খুলে বিষয়ভিত্তিক আর্টিকেল পোষ্ট করতে থাকুন।
২. বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভিজিটর সংগ্রহে এবং মোট ভিজিটরের পরিমান বৃদ্ধির জন্য ব্যাকলিংক তৈরি, মার্কেটিং, ফোরাম পোষ্টিং, কমেন্ট পোষ্টিং তথা Seo এর কাজগুলো বেশি বেশি করতে থাকুন। কারণ ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য Seo এর কোন বিকল্প নেই।
৩. নিয়মিত ভিজিটরের আপডেট দেখে দেখে নিত্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করুন।
৪. যখন মনে করবেন আপনার ব্লগটি এখন বেশ জনপ্রিয় এবং ভিজিটরদের কাছে গ্রহনযোগ্য হয়েছে তখন আপনি এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য পরিকল্পনা গ্রহন করুন। কেননা, সবচেয়ে বড় সত্য হচ্ছে আপনার সাইটে বিদেশী ১০০০ ভিজিটর ঢুকলে হয়ত আপনার এ্যাফিলিয়েটকৃত পন্য বিক্রি হবে ১-১০ টি। তবে এটিও সত্য যে, ভালমানের একটি ব্লগ সাইটে প্রতিদিন হাজার হাজার ভিজিটর আনা কঠিন কিছু নয়।
কিভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন Amazon.com এর পন্য:

Intearnet
১. শুরুতেই http://www.amazon.com সাইটে সঠিক নাম-ঠিকানা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
২. সাইটের Make Money with Us অপশন থেকে এসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করুন। এখানে একটি Id আপনার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে, সে আইডিটি সংরক্ষনে রাখুন।
৩. আপনার প্রদানকৃত সকল তথ্যের পর্যালোচনা শেষে ১-৩ কার্যদিবসের মধ্যে আপনাকে একটি মেইল পাঠানো হবে এবং স্পেশাল একটি পেজে প্রবেশের অনুমতি পাবেন।
৪. মূল পেজে প্রবেশের পরে Get started now বাটনে ক্লিক করে দেখে নিন সকল নিয়ম কানুনের আপডেট।
৫. এবার এ সাইট থেকে প্রডাক্ট এর লিঙ্ক (এইচটিএমএল কোড) সংগ্রহ করে আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে ব্যবহার করুন। এরপর যারাই আপনার প্রদত্ত লিঙ্ক থেকে পন্য সংগ্রহ করবে আপনি পাবেন মোট পন্যমূল্যের ১৫%।
অর্থ উত্তোলনের উপায়সমূহ

দেশে টাকা আনার উপায়:
১) চেক: ২) ক্রেডিট কার্ড:
৩) ব্যাংক ট্রান্সফার: ৪) ব্যাংক ওয়্যার:

(1810)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ ফ্রিলান্সিং

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon