ইরানের এফ-১৪ যুদ্ধবিমান বনাম ভিন্ন গ্রহের উড়ন্ত যান? | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
মুহাম্মাদ তাওহিদ গাজী

মোট এলার্ম : 158 টি

মুহাম্মাদ তাওহিদ গাজী

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট :

» আমার ফেসবুক :

» আমার টুইটার পাতা :


স্পন্সরড এলার্ম



ইরানের এফ-১৪ যুদ্ধবিমান বনাম ভিন্ন গ্রহের উড়ন্ত যান?
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

Combat Aircraft magazine.এর সর্বশেষ সংখ্যায় বাবাক তাঘভাঈ এক চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন। বাবাকের মতে ইরানের বিমানবাহিনী ১৯৭০ সালে নির্মিত যুদ্ধজাহাজ ভিন্টেজে থাকা এফ-১৪ টমক্যাট যুদ্ধবিমানের যোদ্ধারা গত ৯ বছর ধরে উজ্জ্বল আর রহস্যময় ধরণের কিছু উড়ন্ত বস্তুর পেছনে ছুটে বেড়াচ্ছে, যেগুলো প্রায়ই ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর উপর দিয়ে আনাগোনা করে।

অধিকাংশ ইরানি মনে করেন, এগুলো আসলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সি আই এর ড্রোন বিমান, যেগুলোর কাজ হচ্ছে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার উপর গোয়েন্দা নজরদারী করা। পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে চলমান অস্থিরতার মাঝে এরকম সন্দেহ অমূলক নয়। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয়েছে অন্য জায়গায়। প্রায়ই ইরানের আকাশে উড়তে দেখা যাওয়া এই মনুষ্যবিহীন আকাশযানের ক্ষিপ্র গতি ও চোখের নিমেষেই উধাও হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা বর্তমানে প্রচলিত কোন ড্রোন বিমানেরই নেই। এমনকি গত বছর একটি ইরানি এফ-১৪ যুদ্ধবিমান এরকমই এক রবোটিক উড়ন্ত বিমান (কিংবা এরকমই কিছু)এর গতিরোধ করার চেষ্টা করলে সেটি থেকে গুলি ছোঁড়া হয়, যার ফলে ইরানি এফ-১৪ বিমানটি ভূপাতিত হয়। অন্তত ইরানের বক্তব্য এরকমই।

ইরানের সর্বশেষ শাহ রেজা শাহ পাহলভি তার শাসনামলে ৮০ টি এফ-১৪ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেন। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লব শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত ইরান তার আশিটি যুদ্ধবিমানের মাঝে ৭৯টি হাতে পায়। এরপরই ইরান আমেরিকার সবচেয়ে কাছের বন্ধু থেকে ভয়াবহ শত্রুতে পরিণত হয়। পরে ইরান তাদের গোয়েন্দাদের মাধ্যমে আমেরিকান বিভিন্ন উৎস থেকে এফ-১৪ বিমানের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে ও নিজেদের গবেষণার আধ্যমে সেটিকে আরো উন্নত করে।

বছরের পর বছর ধরে ইরান বুশেহের, আরাক ও নাটানজে তাদের পারমাণবিক স্থাপনা গড়ে তোলে। আর আমেরিকা ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা থেকে নিজেদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে রক্ষা করার জন্য ইরান একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করে। এতে ছিল ৮ টি এফ-৪ই যুদ্ধবিমান, ৮ টি এফ-১৪ প্লাস যুদ্ধবিমান, একটি সাধারণ ৭০৭ বিমান ও সি-১৩০ কার্গো বিমান। টাস্কফোর্স সদস্যদের মতে, তারা যে উড়ন্ত বিমানগুলোকে তাড়া করেছে, সেগুলোর ওড়ার ক্ষমতা ছিল “অস্বাভাবিকভাবে অসাধারণ”।

এগুলো কি আমেরিকান মনুষ্যবিহীন ড্রোন বিমান ছিল? অনেক প্রচেষ্টা করেও ইরানের এফ-১৪ টমক্যাট বিমানের বৈমানিকরা এই রহস্যময় যানগুলোকে ধরতে বা এদের কাছাকাছি যেতে সক্ষম হন নি। ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি এরকমই এক রহস্যময় উজ্জ্বল বস্তু তাড়া করার সময় ইরানের একটি টমক্যাট বিমান বিধ্বস্ত হয়, যাতে দুইজন পাইলটই মারা যান।

অনেকের ধারণা, এগুলো সম্পূর্ণ নতুন ধরণের কোন গোয়েন্দা বিমান, যেগুলোর কথা মার্কিন বিমানবাহিনী কিংবা সি আই এ-কেউই জনসমক্ষে প্রকাশ করে নি। এছাড়া প্রচলিত ড্রোন বিমানগুলোর কোনটিই উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরণকারী নয়। আর এই অতি দ্রুত গতির বিমান তৈরি করতে হলে Mach-10 hypersonic flight স্তরের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেই জায়গায় মার্কিন বিমানবাহিনী এখনো Mach-5 hypersonic flight দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

তাহলে ইরানি বিমানবাহিনী এফ-১৪ যুদ্ধবিমান যে উচ্চগতির ও অনেক উঁচু দিয়ে উড়ে যেতে সক্ষম ‘উড়ন্ত বস্তু’ তাড়া করেছিল, সেটি আসলে কি ছিল? ইউ এফ ও?

(1156)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon