কোডেক্স জাইগাস: পৃথিবীর প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপি | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
তাহমিদ হাসান

মোট এলার্ম : 279 টি

তাহমিদ হাসান
দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা,,, দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু,,, দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া,,, ঘর হতে শুধু দু’পা ফেলিয়া,,, একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু। !!!!!!!!! তাই টেকএলার্মবিডিতে এসেছি জানার জন্য।

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট : http://www.graphicalarm.com

» আমার ফেসবুক : www.facebook.com/tahmid.hasan3

» আমার টুইটার পাতা : www.twitter.com/tahmid1993


স্পন্সরড এলার্ম



কোডেক্স জাইগাস: পৃথিবীর প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপি
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button
সূত্রঃ প্রিয় ডট কম

আপনার জানামতে পৃথিবীর প্রাচীনতম বই কোনটি? ধারণা আছে কী? হয়তোবা নেই। কোডেক্স জাইগাস বা “দ্যা ডেভিল’স বাইবেল” কে বলা হয়ে থাকে পৃথিবীর প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপি। এই পাণ্ডুলিপি এতটাই বড় যে ধরে নেওয়া হয় এটি তৈরি করতে প্রয়োজন হয়েছিলো ১৬০ টিরও বেশি প্রাণীর চামড়া আর একে তুলে ধরতে দুই জন মানুষের শক্তি দরকার হয়। এর দৈর্ঘ্য মোটামুটি এক মিটার।

কি এই কোডেক্স জাইগাস?

প্রাচীন ধারণা অনুযায়ী, এই মধ্যযুগীয় পাণ্ডুলিপি তৈরি হয়েছিলো ডেভিল বা শয়তানের সাথে একটি চুক্তি করার কারণে। তাই একে ডেভিল’স বাইবেল বলা হয়ে থাকে। ১৩শ শতাব্দীর দিকে এটি লেখা হয় ল্যাটিন ভাষায়। এর প্রকৃত উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় নি, তবে এর ভেতরে থাকা একটি নোটে লেখা আছে যে এটি ১২৯৫ সালে সেডলেক আশ্রম থেকে নিয়ে আসা হয়।

কোডেক্স জাইগাসের লোককথা

কোডেক্স জাইগাস এর পেছনের কাহিনীটি এরকম- এর পুরোটা তৈরি করেন মাত্র একজন সন্ন্যাসী, যাকে জীবন্ত অবস্থায় চারপাশে দেয়াল তৈরি করে আটকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিলো। আর আসলেও এই পাণ্ডুলিপি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় এর লেখক আসলে একজন মানুষই হতে পারে। এই কাহিনীতে আরও বলা হয়, সেই সন্ন্যাসী মাত্র এক রাত্রে এই পাণ্ডুলিপি তৈরি করেন- ডেভিলের সাহায্য নিয়ে। কিন্তু এই কাহিনী আসলে কোথা থেকে উৎপন্ন হয়েছে তা জানা যায় না এবং ধারণা করা হয়, গল্পের এই ধর্মীয় ভাবটি আসলে সত্যিকার কাহিনীটা তুলে ধরে নি।

বিভিন্ন লোককথায় শোনা যায়, এই কোডেক্স জাইগাস ক্ষতিকর একটি বস্তু। অতীতে এটা যারই কাছে ছিলো, তাদের প্রত্যেকের জীবনে দুর্যোগ বা রোগের অভিশাপ নেমে এসেছে। তবে সুখের কথা হোলো, বর্তমানে এই কোডেক্স জাইগাস সংরক্ষিত আছে স্টকহোমের ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে এবং সেখানে এখন পর্যন্ত কোনো অভিশাপের লক্ষণ দেখা যায়নি!

কোডেক্স জাইগাসে কি লেখা আছে?

কোডেক্স জাইগাসে রয়েছে প্রাচীন বাইবেলের পূর্ণাঙ্গ ল্যাটিন অনুবাদ, এবং তার সাথে রয়েছে এমন আরও পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বই। এর মাঝে আছে ওল্ড টেস্টামেন্ট, ফ্ল্যাভিয়াস জোসেফাসের লেখা “অ্যান্টিকুইটিজ অফ দ্যা জিউস”, ইসিডোর অফ সেভিলের লেখা এনসাইক্লোপিডিয়া এটিমোলজিয়া, থিওফিলাস, হিপ্পোক্রেটিস এবং এমন লেখকদের লেখা কিছু চিকিৎসাবিদ্যা সম্পর্কিত কাজ, নিউ টেস্টামেন্ট এবং কসমাস অফ প্রাগের লেখা “দ্যা ক্রনিকল অফ বোহেমিয়া”। এসবের পাশাপাশি এই পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে বিভিন্ন জাদুবিদ্যা, ভূত ছাড়ানোর কৌশল, স্বর্গের একটি ছবি এবং পুরো একপাতা জুড়ে আঁকা ডেভিলের একটি ছবি।

কোডেক্স জাইগাসের পেছনে তত্ব

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতে, একজন মানুষ যদি দিনরাত একটানা কাজ করতে থাকে, তবে ছবি বাদে শুধু এই পাণ্ডুলিপি হাতে লিখে কপি করে শেষ করতে তার সময় লাগবে পাঁচ বছর। তাই এটা ধরে নেওয়া যায় যে, এই কোডেক্স জাইগাস আসলে তৈরি করতে সময় লেগেছিলো কমপক্ষে ২৫ বছর। কিন্তু এই এতটা সময় ধরেও লেখার ধারা রয়েছে সম্পূর্ণ একই রকম এবং নিরবিচ্ছিন্ন। এ থেকেই হয়তো মানুষ ধরে নিয়েছিলো যে এই লেখা একদিনে শেষ করা হয়েছে।

(717)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ বিশ্ব সভ্যতা ও ইতিহাস

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > > > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon