নাজকা লাইন-যে প্রাচীন রানওয়েতে অবতরণ করতো ভিনগ্রহী প্রাণী! | টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ
Profile
তাহমিদ হাসান

মোট এলার্ম : 279 টি

তাহমিদ হাসান
দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা,,, দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু,,, দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া,,, ঘর হতে শুধু দু’পা ফেলিয়া,,, একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু। !!!!!!!!! তাই টেকএলার্মবিডিতে এসেছি জানার জন্য।

আমার এলার্ম পাতা »

» আমার ওয়েবসাইট : http://www.graphicalarm.com

» আমার ফেসবুক : www.facebook.com/tahmid.hasan3

» আমার টুইটার পাতা : www.twitter.com/tahmid1993


স্পন্সরড এলার্ম



নাজকা লাইন-যে প্রাচীন রানওয়েতে অবতরণ করতো ভিনগ্রহী প্রাণী!
FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন
Share Button

নাজকা লাইন কিংবা রেখা। পেরুর রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৪০০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত নাজকা ও পালপা শহরের মাঝখানে প্রায় ৮০ কিমি এলাকা এই দীর্ঘ আর রহস্যময় নাজকা লাইন বিস্তৃত। মূলত এটি দক্ষিণ পেরুর নাজকা মরুভূমিতে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নাজকা সভ্যতার মানুষজন এই বিশাল ভৌগলিক রেখাগুলো ৪০০-৬৫০ খ্রিস্টাব্দে তৈরি করেছিল।

প্রথমে মাটির উপরের লাল নুড়িপাথর সরানো হয়। এরপর নিচের সাদা কিংবা ধূসর মাটির স্তর সরিয়ে অগভীর এই রেখাগুলো আঁকা হয়। রেখাগুলোর মাঝে ১০০ বা এর বেশি কিছু রেখা পুরোপুরি সরল রৈখিক কিংবা জ্যামিতিক আকৃতির। আর ৭০টির মতো রেখাচিত্র রয়েছে, যেগুলোতে ফুল, পাখি, বাদর, মানুষসহ বেশ কিছু প্রাণীর ছবি আঁকা হয়েছে। সবচেয়ে বড় নকশাটি প্রায় ২০০ মিটার লম্বা। কেন আর কিভাবে এই বিশাল বিশাল রেখাচিত্রগুলো সে যুগে আঁকা হয়েছিল তা এক বিরাট রহস্য।

এই রেখাগুলো এতোটাই বিশাল যে আকাশপথ কিংবা ফুট হিল নামে এক পাহাড়ের উপর থেকেই শুধু ভালোভাবে দেখতে পাওয়া যায়। ১৯২৭ সালে একজন পেরুভিয়ান প্রত্নতাত্ত্বিক Toribio Mejia Xesspe ফুটহিলে ঘুরতে যান। তখন তিনি এই আজব লাইনগুলো প্রথম দেখতে পান। ১৯৩৯ সালে তিনি এক কনফারেন্সে এই লাইনগুলো নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন। লঙ আইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ পল কোসক ও জার্মান গণিতবিদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক মারিয়া রিচি এই লাইনগুলোর উৎপত্তি কিভাবে হলো সেটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত বহু প্রত্নতত্ত্ববিদ, গণিতবিদ ও ইতিহাসবিদ এই রেখাগুলোর রহস্যভেদ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাতে শুধু বিতর্ক বেড়েছে, সমাধান নয়।

রেখাগুলো কিভাবে আঁকা হয়েছে সেটা বের করা গেলে হয়তো সেগুলো কি উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে, সেটা বোঝা যাবে। এই রেখাগুলো প্রায় ১০ থেকে ১৫ সেমি গভীর। নাজকা সভ্যতার মানুষরা একশোটিরও বেশি খুব সাধারণ কিন্তু বিশাল আর জটিল নকশার বেশ কিছু জীবের ছবিও এঁকেছে। সবচেয়ে বড় আকৃতির রেখাটি প্রায় ২৭০ মিটার লম্বা। হামিংবার্ডের নকশাটি ৯৩ মিটার, বাঁদর ৯৩ মিটারx৫৮ মিটার, মাকড়শা ৪৭ মিটার লম্বা। ২০১১ সালে জাপানের ইয়ামাগাটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই জায়গাতে আরো দুটি ছোট নকশা আবিষ্কার করেন। একটি ছিল মানুষের মাথা, আরেকটি হচ্ছে একটি প্রাণীর নকশা।

কেন এই বিশাল রহস্যময় রেখাচিত্রগুলো তৈরি করা হয়েছিল?

কোসক ও রিচির মতে, নাজকারা এই রেখাগুলো তৈরি করেছিল তাদের উপাসিত স্রষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য। জেরাল্ড হকিং ও এন্থনি এভেনি ১৯৯০ সালে বলেন, এসব রেখার কোন মহাজাগতিক ব্যাখ্যা থাকতে পারে, যদিও প্রমাণ অপর্যাপ্ত। সুইস লেখক এরিখ ভন ড্যানিক্যান বলেন নাজকা রেখা ও অন্যান্য জটিল নকশাগুলো অনেক উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যেটা সে যুগে বিদ্যমান ছিল। এরিখের মতে বিশাল বিশাল এই রেখাগুলো ছিল প্রাচীন রানওয়ে যেগুলোতে ভিন্ন গ্রহের প্রাণী কিংবা এলিয়েনরা অবতরণ করতো। অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা, নিশ্চয়ই প্রাচীন সভ্যতাগুলোর মানুষরা আকাশে ওড়ার কিংবা এলিয়েন অবতরণের বিষয়টি জানতো। সেরকম প্রযুক্তিও হয়তো তাদের ছিল। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে, ইতিহাসের এ অংশটি অস্বাভাবিকভাবে অন্ধকারাচ্ছন্ন। এরিখ ১৯৬৮ সালে তার প্রকাশিত বই “ “Chariots of the Gods” এ দাবি করেন, এই রহস্যময় নাজকা লাইন আর আধুনিককালের রানওয়েগুলোর মাঝে অস্বাভাবিক মিল রয়েছে। তাই তার ধারণা, যেটার সাথে পরে আরো অনেকে একমত হন যে, হতে পারে এই নাজকা লাইনগুলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন রানওয়ে!

আসলেই কি তাই? সঠিক উত্তর এখনো অজানা!

সূত্রঃ প্রিয় ডট কম

(835)

Share Button
  

FavoriteLoadingপ্রিয় যুক্ত করুন

এলার্ম বিভাগঃ বিশ্ব সভ্যতা ও ইতিহাস

এলার্ম ট্যাগ সমূহঃ > >

Ads by Techalarm tAds

এলার্মেন্ট করুন

You must be Logged in to post comment.

© টেকএলার্মবিডি।সবচেয়ে বড় বাংলা টিউটোরিয়াল এবং ব্লগ | সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

জেগে উঠো প্রযুক্তি ডাকছে হাতছানি দিয়ে!!!


Facebook Icon